বুখারী হা/৬৪৯৪ অনুযায়ী বর্তমান যুগের চতুর্মুখী ফেতনা থেকে মুক্ত থাকার জন্য মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করে ইবাদত-বন্দেগীতে সময় কাটানোই কি জান্নাত লাভের সর্বোত্তম পন্থা বলে গণ্য হবে না?


মুসলিম ব্যক্তি চতুর্মুখী ফেতনার মধ্য থেকে তার ঈমান ও দ্বীনকে রক্ষা করতে সক্ষম না হলে এবং নিরুপায় হয়ে মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করে ইবাদাত-বন্দেগীতে সময় কাটিয়ে মারা গেলে রাসূল (ছাঃ)-এর ঘোষণা অনুযায়ী অবশ্যই তিনি জান্নাত লাভে ধন্য হবেন। কিন্তু সামর্থ্য ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আমর বিল মা‘রূফ ও নাহি আনিল মুনকারের দায়িত্ব পালন না করে মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করলে কিয়ামতের দিন তাকে এজন্য জবাবদিহি করতে হবে। জনৈক ব্যক্তি এরূপ করতে চাইলে রাসূল (ছাঃ) তাকে নিষেধ করে বলেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা গৃহে বসে ৭০ বছর ইবাদত করার চেয়ে উত্তম (তিরমিযী, মিশকাত হা/৩৮৩০)।

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার জীবন! তোমরা অবশ্যই ভালো কাজের আদেশ দিবে এবং অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ করবে। নতুবা অনতিবিলম্বে আল্লাহ তা‘আলা নিজের পক্ষ থেকে তোমাদের উপর আযাব প্রেরণ করবেন। অতঃপর তোমরা তাঁর নিকট দো‘আ করবে কিন্তু তা কবুল করা হবে না’ (তিরমিযী, মিশকাত হা/৫১৪০)।

Advertisements

About ইসলামী সাইট

কুরআন ও সহীহ হা‌দিস
This entry was posted in ইবাদত-বন্দেগীতে সময় কাটানোই কি জান্নাত লাভের সর্বোত্তম পন্থা? and tagged . Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s