দু’টি সন্তানের একজনকে পিতা-মাতা বিদেশে বহু অর্থ খরচ করে পড়াশোনা করাচ্ছেন। কিন্তু অন্য সন্তানের পড়াশুনার দিকে তেমন কোনই খেয়াল রাখেন না। এরূপ করায় পিতা-মাতা কি স্বাধীন না এর জন্য কিয়ামতের দিন জবাবদিহী করতে হবে?


সন্তানের আগ্রহ, স্বাস্থ্য, মেধা ও যোগ্যতার মান ভেদে তাকে উৎসাহিত করা ও তার জন্য সাধ্যমত ব্যয় নির্বাহ করা পিতা-মাতার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এতে কমবেশী হওয়ায় কোন দোষ নেই। তবে কারো প্রতি ইচ্ছাকৃত অবহেলা চরম নিন্দনীয় বিষয়। আর ভরণ-পোষণ ও সম্পত্তি বণ্টনে সকলের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে হবে। নইলে তাঁরা পরকালে আল্লাহর নিকট জবাবদিহির সম্মুখীন হবেন। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন,  ‘তোমরা  আল্লাহকে  ভয়  কর  এবং  তোমাদের সন্তানদের মধ্যে ইনছাফ বজায় রাখ’ (বুখারী হা/১৫৮৭; মিশকাত হা/৩০১৯)। তিনি বলেন, (ক্বিয়ামতের দিন) স্বামী তার পরিবার সম্পর্কে এবং স্ত্রী তার স্বামীর সংসার ও সন্তান সস্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ‘ইমারত ও বিচার’ অধ্যায় হা/৩৬৮৫)।

Advertisements
This entry was posted in সন্তান‌দের‌কে পড়াশুনা কম‌বে‌শি করা‌লে পিতা মাতা ‌কে কি জবাব দি‌হি কর‌তে হ‌ and tagged . Bookmark the permalink.