বিদেশে অমুসলিমদের যবেহকৃত পশুর গোশত খাওয়া জায়েয হবে কি?


দেশে হৌক আর বিদেশে হৌক অমুসলিমদের যবেহকৃত পশুর গোশত খাওয়া হালাল নয়। কেননা তা হালাল হওয়ার শর্ত হল, ‘বিসমিল্লাহ’ বলে যবেহ করা (আন‘আম ৬/১২১)। তবে আহলে কিতাবদের (ইহূদী এবং খৃষ্টানদের) যবেহ করা পশু খাওয়া জায়েয (মায়েদাহ ৫/৫)। শর্ত হ’ল যদি তারা আল্লাহর নামে যবেহ করে (বাক্বারাহ ২/১৭৩, আন‘আম ৬/১২১)। আর যদি এমন দেশে বসবাস করা হয়, যে দেশে মুসলিম ও আহলে কিতাব একত্রে বসবাস করে এবং যবহের সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলেছে কি-না সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে খাওয়া যেতে পারে (বুখারী হা/৭৩৯৮; আবুদাউদ হা/২৮২৯; মিশকাত হা/৪০৬৯)। তবে সন্দেহ থেকে দূরে থাকার জন্য তা বর্জন করাই উত্তম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, হালাল স্পষ্ট, হারামও স্পষ্ট। এর মধ্যবর্তী বিষয়সমূহ অস্পষ্ট, যা অনেক মানুষ জানে না। অতএব যে ব্যক্তি সন্দিগ্ধ বস্ত্তসমূহ থেকে বেঁচে থাকবে, সে ব্যক্তি তার দ্বীন ও সম্মানকে পবিত্র রাখলো। আর যে ব্যক্তি সন্দিগ্ধ কাজে লিপ্ত হ’ল, সে হারামে পতিত হ’ল (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৭৬২)। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘তুমি সন্দেহযুক্ত বিষয় থেকে নিঃসন্দেহের দিকে ধাবিত হও’ (তিরমিযী হা/২৫১৮; নাসাঈ হা/৫৭১১; মিশকাত হা/২৭৭৩)।

This entry was posted in অমুসলিম থেকে গরুর গোশত কিনে খাওয়া কি বৈধ হবে?, অমুসলিমদের নিকট থেকে সহযোগিতা নেওয়া যাবে কি?, অমুসলিমদের যবেহকৃত পশুর গোশত খাওয়া জায়েয হবে কি?. Bookmark the permalink.