কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, আমি কিছু মানুষকে জান্নাতের জন্য এবং কিছু মানুষকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। এক্ষণে মানুষের কিছু করণীয় আছে কি?


এটি তাক্বদীরের বিষয়। যার জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছেই রয়েছে। অতএব মানুষের কর্তব্য হ’ল আল্লাহকে খুশী করার উদ্দেশ্যে তাঁর বিধান মেনে সাধ্যমত সৎকর্ম করে যাওয়া। কারণ কোন মানুষই জানে না তার ভাগ্যে কি লেখা রয়েছে। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত, একদা রাসূল (ছাঃ) একটা ছড়ি দিয়ে মাটির উপর দাগ কাটছিলেন। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন কোন লোক নেই, যার ঠিকানা জাহান্নামে বা জান্নাতে লেখা হয়নি। একথা শুনে একজন বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাহলে সকল আমল ত্যাগ করে আমাদের লিখিত ভাগ্যের উপর ভরসা করব না? তখন রাসূল (ছাঃ) বললেন, তোমরা সৎকর্ম করে যাও। কেননা যাকে যেজন্য সৃষ্টি করা হয়েছে, তার পক্ষে সে কাজ সহজসাধ্য হবে। যারা সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত, তাদের জন্য সেরূপ আমল এবং যারা দুর্ভাগাদের অন্তর্ভুক্ত তাদের জন্য সেরূপ আমল সহজ করে দেওয়া হয়েছে। অতঃপর তিনি কুরআন থেকে পাঠ করলেন, ‘অতঃপর যে ব্যক্তি দান করে ও আল্লাহভীরু হয় এবং উত্তম বিষয়কে (তাওহীদকে) সত্য বলে বিশ্বাস করে, অচিরেই আমরা তাকে সরল পথের জন্য সহজ করে দেব। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি কৃপণতা করে ও বেপরোয়া হয় এবং উত্তম বিষয়কে মিথ্যা মনে করে, অচিরেই আমরা তাকে কঠিন পথের জন্য সহজ করে দেব (লায়েল ৯২/, বুখারী হা/৪৯৪৯)

This entry was posted in তাকদীর কি প‌রিবর্তন হয়?, তাক্বদীর কি? এ সম্পর্কে সঠিক আক্বীদা কি?, তাক্বদীর বলে কিছু আছে কি?. Bookmark the permalink.