জুম‘আর দিন সর্বাগ্রে মসজিদে প্রবেশের ফযীলত সম্পর্কে জানতে চাই।


এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন গোসল করে সুগন্ধি মেখে মসজিদে এল ও সাধ্যমত নফল ছালাত আদায় করল। অতঃপর চুপচাপ ইমামের খুৎবা শ্রবণ করল ও জামাআতে ছালাত আদায় করল, তার পরবর্তী জুমআ পর্যন্ত এবং আরও তিনদিনের গোনাহ মাফ করা হয়(বুখারী হা/৮৮৩; মিশকাত হা/১৩৮১)। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন ভালভাবে গোসল করে। অতঃপর সকাল সকাল পায়ে হেঁটে মসজিদে যায় এবং (আগে ভাগে নফল ছালাত শেষে) ইমামের কাছাকাছি বসে ও মনোযোগ দিয়ে খুৎবার শুরু থেকে শুনে এবং অনর্থক কিছু করে না, তার প্রতি পদক্ষেপে এক বছরের ছিয়াম ও ক্বিয়ামের অর্থাৎ দিনের ছিয়াম ও রাতের বেলায় নফল ছালাতের সমান নেকী হয় (আহমাদ হা/১৬২১৭; তিরমিযী হা/৪৯৬; মিশকাত হা/১৩৮৮)। তিনি আরও বলেন, জুমআর দিন ফেরেশতাগণ মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকেন ও মুছল্লীদের নেকী লিখতে থাকেন। এদিন সকাল সকাল যারা আসে, তারা উট কুরবানীর সমান নেকী পায়। তার পরবর্তীগণ গরু কুরবানীর, তার পরবর্তীগণ ছাগল কুরবানীর, তার পরবর্তীগণ মুরগী কুরবানীর ও তার পরবর্তীগণ ডিম ছাদাক্বার সমান নেকী পায়। অতঃপর খত্বীব দাঁড়িয়ে গেলে ফেরেশতাগণ দফতর গুটিয়ে ফেলেন ও খুৎবা শুনতে থাকেন (বুখারী হা/৮৮১, ৯২৯;  মুসলিম হা/৮৫০; মিশকাত হা/১৩৮৪)

Advertisements
This entry was posted in জুম‘আর দিন সর্বাগ্রে মসজিদে প্রবেশের ফযীলত সম্পর্কে জানতে চাই। and tagged , . Bookmark the permalink.