শাওয়াল মাসের ৬টি ছিয়াম রাখার ফযীলত কি? এগুলি কি ধারাবাহিকভাবে আদায় করতে হবে? কারণবশতঃ উক্ত মাসে আদায় করতে না পারায় পরের মাসে ক্বাযা আদায় করলে কি এর নেকী পাওয়া যাবে?


রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রামাযানের ছিয়াম পালন শেষে শাওয়াল মাসের ছয়টি ছিয়াম পালন করল, সে যেন সারা বছর ছিয়াম পালন করল’ (মুসলিম হা/১১৬৪; মিশকাত হা/২০৪৭)। অন্য হাদীছে এক বছরের হিসাব রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এভাবে দিয়েছেন যে, ‘রামাযানের একমাস ছিয়াম (১০ গুণ নেকী ধরলে) ১০ মাসের সমান এবং (শাওয়ালের) ছয়টি ছিয়াম দু’মাসের সমান’ (ইবনু মাজাহ হা/১৭১৫; ইরওয়া  হা/৯৫০-এর আলোচনা)। এভাবে মোট বারো মাস বা সারা বছর। এই ছিয়ামগুলো ধারাবাহিকভাবে পালন করা উত্তম। তবে আলাদাভাবেও করা যায় (নববী, আল মাজমূ ৬/৩৭৯)

শাওয়াল মাসের ছিয়াম শাওয়াল মাসের মধ্যে করাই কর্তব্য। কারণ শাওয়াল পার হ’লে শাওয়াল মাসের ছিয়াম পালনের সুযোগ থাকে না। আর রামাযানের ক্বাযা ছিয়াম বছরের যেকোন সময়ে আদায় করা যায় (বাক্বারাহ ২/১৮৫)। ব্যস্ততার কারণে আয়েশা (রাঃ) তাঁর রামাযানের ছুটে যাওয়া ছিয়াম পরবর্তী শা‘বান মাসে আদায় করতেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২০৩০)। তবে ফরযের ক্বাযা যত দ্রুত সম্ভব আদায় করাই উচিৎ (মিরআত ৫/২৩)

Advertisements
This entry was posted in শাওয়াল মাসের ৬টি ছিয়াম রাখার ফযীলত কি? and tagged . Bookmark the permalink.