পিতা-মাতা অমুসলিমদের ন্যায় ইংরেজী নাম রেখেছেন। যদিও তার অর্থ ভালো। আরবী ব্যতীত এরূপ নাম রাখা যাবে কি? যদি না রাখা যায় সেজন্য সন্তান গুনাহগার হবে কি? এক্ষণে তার করণীয় কি?


মুসলিম স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার জন্যই আরবীতে সুন্দর অর্থবহ নাম রাখা আবশ্যিক। রাসূল (ছাঃ) মন্দ নাম পরিবর্তন করে দিতেন (তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৭৭৪; ছহীহাহ হা/২০৭-৯)। অমুসলিমদের সাথে সামঞ্জস্যশীল ও শিরক-বিদ‘আতযুক্ত নাম বা ডাকনাম রাখা যাবে না। তাছাড়া অনারবদের জন্য আরবী ভাষায় নাম রাখা উচিৎ। কেননা অনারব দেশে এটাই মুসলিম ও অমুসলিমের নামের মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করে। আজকাল এ পার্থক্য ঘুচিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। তাই নাম রাখার আগে সচেতন ও যোগ্য আলেমের কাছে পরামর্শ নিতে হবে। এক্ষণে কারু নামের অর্থ মন্দ হ’লে এবং ধর্মীয় পরিচয় বহন না করলে তা পরিবর্তন করতে হবে। আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে এটা সহজেই করা যায়। অথবা নিজেই নিজের পরিচিতি পাল্টে দিতে পারেন (বিস্তারিত দ্রঃ মাসায়েলে কুরবানী ও আকীকা’ বই)

This entry was posted in নাম এর অর্থ ভালো কিন্তু আরবি না এরুপ নাম রাখা যাবে কি? and tagged . Bookmark the permalink.