পিতা-মাতা চান আমি ডাক্তার হই। আমি চাই ধর্মীয় বিষয়ে পড়াশুনা করতে। যাতে আমার অন্তরজগৎ আলোকিত হয় এবং আমি বেশী বেশী ইবাদত করতে পারি। ডাক্তার হতে গেলে আমাকে বিজ্ঞানের কঠিন কঠিন বিষয় নিয়ে এত বেশী সময় ব্যয় করতে হবে যে, আমি আবশ্যিক ইবাদতগুলিই ঠিকমত করতে পারব না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?


সন্তানকে মানবতার সেবাদানের লক্ষ্যে গড়ে তোলার ব্রতে পিতা-মাতা যদি এরূপ কামনা করেন, তবে তাদের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং আল্লাহর নিকটে তাওফীক কামনা করতে হবে। কারণ উক্ত পেশার মাধ্যমে বহু মানুষের জীবন রক্ষা সম্ভব হয়। যা অত্যন্ত নেকীর কাজ। আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি একজন মানুষকে বাঁচালো, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে বাঁচালো (মায়েদাহ /৩২)

নববী যুগে যুদ্ধের ময়দানে নারীরা সৈনিকদের চিকিৎসা সেবা দিতেন। যেমন ওহোদ যুদ্ধ শেষে হযরত আয়েশা, উম্মে সুলায়েম, উম্মে সুলাইত্ব, হামনাহ বিনতে জাহশ প্রমুখ প্রখ্যাত নারীরা পিঠে পানির মশক বহন করে এনে আহত সৈনিকদের পানি পান করান ও চিকিৎসা সেবা দান করেন (বুখারী, হা/৪০৬৪, ২৮৮১; ত্বাবারাণী, মাজমাউয যাওয়ায়েদ হা/১৫৪২৪, সনদ হাসান; সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) ৩৬১ পৃঃ)

Advertisements
This entry was posted in পিতা-মাতা চান ডাক্তার হই। আমি চাই ধর্মীয় পড়াশুনা করতে। এক্ষণে করণীয় কি?. Bookmark the permalink.