বীমা কোম্পানীতে চাকুরী করা হারাম জেনে চাকুরী ছাড়ার প্রস্ত্ততি নিচ্ছি। এক্ষণে ১০ বছর চাকুরীর ফলে প্রাপ্ত প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি, লভ্যাংশ ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত অর্থের ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কি?


এক্ষেত্রে চাকুরী পরিত্যাগ করে খালেছ নিয়তে তওবা করতে হবে এবং পরবর্তীতে প্রাপ্ত সমস্ত অর্থ নেকীর আশা ব্যতীত দান করে দিতে হবে। কারণ যে সূদী অর্থ থেকে বাঁচার জন্য উক্ত চাকুরী ছাড়া হচ্ছে, তা থেকে প্রাপ্য সকল অর্থই তার অন্তর্ভুক্ত।

তবে তওবাকারী যদি স্বীয় দরিদ্রতার কারণে পরিত্যক্ত সম্পদের মুখাপেক্ষী হন বা অন্য কোন বৈধ কাজ শুরু করার জন্য উক্ত অর্থ ব্যতীত কিছু না থাকে, সেক্ষেত্রে বাধ্যগত অবস্থায় সেখান থেকে প্রয়োজন মত কিছু সম্পদ গ্রহণ করা যাবে’ (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৯/৩০৯ ; ইবনুল ক্বাইয়িম, যাদুল মা‘আদ ৫/৬৯১-৯২)

অতএব তওবা পরবর্তী প্রাপ্ত সম্পদ সম্ভবপর পরিত্যাগ করে বৈধ রূযীর পথ তালাশ করতে হবে। আল্লাহ বলেন, যারা আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তাদেরকে একটি পথ বের করে দেন এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট হন’ (তালাক ২-৩)

This entry was posted in বীমা কোম্পানীর চাকুরি ছাড়ার পর প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থের বিধান কি? and tagged , , . Bookmark the permalink.