জুম‘আর খুৎবা প্রদানের সুন্নাতী পদ্ধতিসমূহ কি কি?


জুম‘আর জন্য দু’টি খুৎবা দেওয়া সুন্নাত, যার মাঝখানে বসতে হয় (মুসলিম, মিশকাত হা/১৪০৫)। ইমাম মিম্বরে বসার সময় মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে সালাম দিবেন (ইবনু মাজাহ হা/১১০৯; ছহীহাহ হা/২০৭৬)। আবুবকর ও ওমর (রাঃ) এটি নিয়মিত করতেন। আবু হানীফা ও মালেক (রহঃ) প্রমুখ মসজিদে প্রবেশকালে সালাম দেওয়াকেই যথেষ্ট বলেছেন (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/২৩০; নায়ল ৪/২০১)। খত্বীব হাতে লাঠি নিবেন (আবুদাঊদ হা/১০৯৬; ইরওয়া হা/৬১৬)। নিতান্ত কষ্টদায়ক না হ’লে সর্বদা দাঁড়িয়ে খুৎবা দিবেন। ১ম খুৎবায় হাম্দ, দরূদ ও ক্বিরাআত ছাড়াও সকলকে নছীহত করবেন, অতঃপর বসবেন। দ্বিতীয় খুৎবায় হাম্দ ও দরূদ সহ সকল মুসলমানের জন্য দো‘আ করবেন (জুম‘আ ৬২/১১; মুসলিম, মিশকাত হা/১৪০৫)। প্রয়োজনে এই সময়ও কিছু নছীহত করা যায় (নাসাঈ হা/১৪১৭-১৮; তিরমিযী হা/৫০৬)। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) হাম্দ, দরূদ ও নছীহত তিনটি বিষয়কে খুৎবার জন্য ‘ওয়াজিব’ বলেছেন। যাতে কুরআন থেকে একটি আয়াত হ’লেও পাঠ করতে হবে। এতদ্ব্যতীত সূরায়ে ক্বাফ-এর প্রথমাংশ বা অন্য কিছু আয়াত তেলাওয়াত করা মুস্তাহাব (মির‘আত ২/৩০৮, ৩১০; , ৪/৪৯৪, ৪৯৮-৯৯; মুসলিম, মিশকাত হা/১৪০৯)। খুৎবা আখেরাত মুখী, সংক্ষিপ্ত ও সারগর্ভ হওয়া বাঞ্ছনীয় (মুসলিম, মিশকাত হা/১৪০৫-০৬)। তবে দীর্ঘ  হওয়াও  জায়েয  আছে  (মুসলিম হা/৭২৬৭)

খুৎবার সময় কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে সংক্ষিপ্তভাবে দু’রাক‘আত ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ ছালাত পড়ে বসবেন’ (মুসলিম, মিশকাত হা/১৪১১; বিস্তারিত দ্রঃ)

This entry was posted in খুৎবা প্রদানের সুন্নাতী পদ্ধতিসমূহ কি কি?, জুম‘আর খুৎবা প্রদানের সুন্নাতী পদ্ধতিসমূহ কি কি? and tagged , . Bookmark the permalink.