শালা-শ্যালিকা, তাদের স্বামী বা স্ত্রী ও সন্তানেরা কোন পর্যায়ের আত্মীয়? তাদের সাথে সাধারণ মুসলিম ভাইয়ের মত আচরণ করলেই যথেষ্ট হবে কি?


উপরোক্ত ব্যক্তিরা বৈবাহিক সূত্রে আত্মীয়। আত্মীয় তিন ধরনের। পিতৃ বংশগত, শ্বশুর বংশগত বা বৈবাহিক সূত্রের ও দুগ্ধসম্পর্কীয়। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘তিনিই মানুষকে পানি হ’তে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি তার বংশগত ও বিবাহগত সম্পর্ক নির্ধারণ করেছেন’ (ফুরক্বান ২৫/৫৪)। এছাড়া দুগ্ধসম্পর্কীয় আত্মীয়ও রয়েছে। যারা বংশগত আত্মীয়ের ন্যায় (নিসা ৪/২৩)। শ্যালক-শ্যালিকা হ’ল শশুর বংশগত বা বৈবাহিক সূত্রের আত্মীয়দের অন্তর্ভুক্ত। অনুরূপ তাদের স্ত্রী ও স্বামীরাও। তাই তাদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। বিনা কারণে তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না (বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/৪৯২২)। তবে দ্বীনী কারণে সাময়িকভাবে কাউকে এড়িয়ে যাওয়া যাবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৭০১)

This entry was posted in শালা-শ্যালিকা তাদের স্বামী বা স্ত্রী ও সন্তানেরা কোন পর্যায়ের আত্মীয়? and tagged . Bookmark the permalink.