রাসূল (ছাঃ) অল্প খাদ্যগ্রহণকারীকে সর্বোত্তম ব্যক্তি হিসাবে আখ্যা দিয়েছেন। অথচ অনেক মানুষকে দেখা যায় তারা দৈনিক মাছ, গোশত, দই, মিষ্টি, ফলমূল ইত্যাদি খায়। এগুলি কি অপব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত গণ্য হবে না?


‘অল্প খাদ্যগ্রহণকারী সর্বোত্তম’ মর্মের বর্ণনাটি ভিত্তিহীন (সিলসিলা যঈফাহ হা/২৪৩)। অতঃপর প্রত্যেকেই সামর্থ্য অনুযায়ী হালাল খাদ্য খাবে। আল্লাহর শুকরিয়ার সাথে খেলে এতে আল্লাহ বেশী খুশী হন। তবে যদি সে কৃপণতা করে কিংবা নষ্ট করে, তাহ’লে তা অপচয়ের অন্তর্ভুক্ত হবে। আল্লাহর বলেন, তোমরা খাও ও পান কর, অপচয় কর না। নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদেরকে অপসন্দ করেন’ (আ‘রাফ ৭/৩১)। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, ‘যা খুশী খাও এবং যা খুশী পরিধান কর। তবে এ বিষয়ে তোমাকে দুটি ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তাহ’ল অপচয় ও অহংকার (বুখারী, আহমাদ, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৪৩৮০-৮১ ‘পোষাক’ অধ্যায়)। তবে খাদ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে রাসূল (ছাঃ)-এর নির্দেশনা হ’ল- পেটের একভাগ খাদ্য দিয়ে ও একভাগ পানি দিয়ে ভরবে এবং একভাগ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য খালি রাখবে (তিরমিযী হা/২৩৮০)

This entry was posted in দৈনিক ভালো মন্দ খাওয়া কি অপব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত গণ্য হবে না? and tagged . Bookmark the permalink.