গাভীকে মানুষ ঝাড়-ফুঁক করে দুধ বন্ধ করে দেয়। তখন দুধ হয় না। এথেকে বাঁচার জন্য পাল্টা ঝাড়-ফুঁক করা দড়ি পরালে ভালো হয়ে যায়। এক্ষণে এটা পরানো যাবে কি?


: দড়ি, তাবীয-কবয ইত্যাদি পরানো যাবে না (তিরমিযী হা/২০৭২; মিশকাত হা/৪৫৫৬; ছহীহুত তারগীব হা/৩৪৫৬)। রাসূল (ছাঃ) পশুর গলায় রশির মালা বা এজাতীয় কিছু থাকলে তা কেটে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন (বুখারী হা/৩০০৫; মুসলিম হা/২১১৫)। বরং এক্ষেত্রে কুরআন ও হাদীছে বর্ণিত দো‘আগুলো পাঠ করার মাধ্যমে শরী‘আতসম্মত ঝাড়-ফুঁক করবে।

আর তাবীয-কবয বা এজাতীয় কোন মাধ্যমে উপশম হলেও বুঝতে হবে এগুলি শয়তানের কাজ। আল্লাহর আনুগত্য থেকে বান্দাকে শয়তানের আনুগত্যে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য এসব শয়তানী কারসাজি মাত্র। আল্লাহ বলেন, ‘তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে কেবল নারীকে আহবান করে। বস্ত্ততঃ তারা কেবল অবাধ্য শয়তানের পূজা করে’ (নিসা ৪/১১৭)। একদা যয়নব (রাঃ) আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ! আমার চোখে ব্যথা হ’লে আমি একজন ইহূদীর কাছে যেতাম, যে মন্ত্র পাঠের পর আমার চোখে ফুঁক দিলে ব্যথার উপশম হ’ত। তখন ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-কে বললেন, এতো শয়তানের অপকর্ম ছিল। তুমি শয়তানের আনুগত্য করলে সে তোমাকে রেহাই দিত এবং তার আনুগত্য না করলে সে তোমার চোখে আংগুলের খোঁচা মারতো (আবুদাঊদ হা/৩৮৮৩; ইবনু মাজাহ হা/৩৫৩০)।

This entry was posted in গাভীকে দড়ি তাবীয-কবয ইত্যাদি পরানো যাবে কি? and tagged . Bookmark the permalink.