শরী‘আতে মানুষহত্যার ক্ষেত্রে যেমন নিহত ব্যক্তির অভিভাবকের ক্ষমার মাধ্যমে শাস্তি মওকূফ হয়, তেমনি চুরির শাস্তি মওকূফ করা যায় কি?


চুরির ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য হবে। মালের মালিক চোরকে ক্ষমা করে দিলে চোরের হাত কাটা আবশ্যক হবে না। বরং সে ক্ষমা প্রাপ্ত হবে। তবে ক্ষমার বিষয়টি বিচারকের নিকটে উত্থাপনের পূর্বে হ’তে হবে। ছাফওয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নিজের চাদরকে বালিশ বানিয়ে তা মাথার নিচে রেখে মসজিদে ঘুমিয়েছিলেন। চোর তার মাথার নিচ থেকে তা চুরি করল। অতঃপর তিনি তাকে ধরে রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট নিয়ে এলেন। রাসূল (ছঃ) তার হাত কাটার নির্দেশ দিলেন। ছাফওয়ান (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো এটা চাইনি! আমার চাদর আমি তাকে দান করলাম। রাসূল (ছাঃ) বললেন, তাহ’লে তাকে আমার কাছে আনার আগে কেন তা করলে না? (ইবনু মাজাহ হা/২৫৯৫; মিশকাত হা/৩৫৯৮; সনদ ছহীহ)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত কোন অপরাধ তোমাদের মাঝে সীমাবন্ধ থাকে, ততক্ষণ তোমরা পরস্পর তা ক্ষমা করে দাও। আর যদি তা আমার নিকট পেশ করা হয়, তবে তার জন্য শরী‘আত সম্মত শাস্তি প্রদান ওয়াজিব হয়ে যায়’ (আবুদাউদ হা/৪৩৭৬; মিশকাত হা/৩৫৬৮; ছহীহুল জামে‘ হা/২৯৫৪)

This entry was posted in নিহত ব্যক্তির চুরির শাস্তি মওকূফ করা যায় কি? and tagged , . Bookmark the permalink.