রাসূল (ছাঃ) থেকে নির্দেশনা না থাকলেও অনেক সময় কোন ছাহাবী কোন আমল করেছেন। অতঃপর রাসূল (ছাঃ) তার ফযীলত বর্ণনা করেছেন বা অনুমোদন দিয়েছেন। যেমন প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ইখলাছ পাঠ করা, রববানা লাকাল হামদ-এর পর হামদান কাছীরান… ইত্যাদি। একইভাবে নেকীর আশায় ফরয ছালাতের পর হাত তুলে মুনাজাত করায় বাধা কোথায়?


বাধা হ’ল এই যে, কাজটি রাসূল (ছাঃ)-এর যামানায় করা হয়নি বা তিনি সমর্থনও করেননি। এ ব্যাপারে রাসূলের নির্দেশনা বা অনুমোদন না থাকাটাই তা বিদ‘আত হওয়ার বড় প্রমাণ। মালেক বিন আনাস (রহঃ) দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেছেন, ‘রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীদের সময়ে যেসব বিষয় ‘দ্বীন’ হিসাবে গৃহীত ছিল না, বর্তমানকালেও তা ‘দ্বীন’ হিসাবে গৃহীত হবে না (শাত্বেবী, আল-ই‘তিছাম ১/৫৩৫)

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যারা আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু প্রবর্তন করবে, তা প্রত্যাখ্যাত’ (বুখারী হা/২৬৯৭; মিশকাত হা/১৪০)। অতএব রাসূল (ছাঃ)-এর যুগে যা ছিল না তা বর্তমান যুগেও আমলযোগ্য নয়, যদিও তা বাহ্যিকভাবে নেক আমল মনে হয়।

This entry was posted in মুনাজাত ফরয ছালাতের পর হাত তুলে করায় বাধা কোথায়? and tagged . Bookmark the permalink.