রাসূল (ছাঃ) হজ্জের সময় জাবালে রহমতে খুৎবা প্রদান করেছিলেন। অথচ বর্তমানে মসজিদে নামিরায় কেন খুৎবা দেওয়া হচ্ছে?


জাবালে রহমত ও মসজিদে নামিরা উভয়টি আরাফার অন্তর্ভুক্ত। আর আরাফার যেকোন স্থানে খুৎবা দেওয়ায় কোন বাধা নেই। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আমি এখানে কুরবানী করছি এবং মিনার গোটা এলাকা কুরবানীর স্থান। অতএব তোমরা যার যার অবস্থানে কুরবানী কর। আর আমি এখানে অবস্থান করছি এবং গোটা আরাফাতই অবস্থানস্থল। মুযদালিফার সবই অবস্থানস্থল এবং আমি এখানে অবস্থান করছি (মুসলিম হা/১২১৮; মিশকাত হা/২৫৯৩)। রাসূল (ছাঃ) সম্ভবত উঁচু স্থান হওয়ায় জাবালে রহমত পাহাড়ে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিয়েছিলেন। আর মসজিদে নামিরাহ সর্বপ্রথম নির্মিত হয় প্রথম হিজরী শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে। এর অবস্থান আরাফা ময়দানের পশ্চিম প্রান্তে আরাফাহ ও মুযদালিফার মধ্যবর্তী স্থানে। রাসূল (ছাঃ) মিনা থেকে আরাফাতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে এই নামিরা উপত্যাকায় অবতরণ করেন। বর্তমানে হজ্জের সময় প্রায় চার লক্ষ মুছল্লী এই মসজিদে যোহর ও আছরের ছালাত জমা‘ ও কছর সহকারে আদায় করে থাকেন। এটি মসজিদে আরাফাহ, মসজিদে ইবরাহীম খলীল প্রভৃতি নামেও পরিচিত। উল্লেখ্য যে, জাবালে রহমত আরাফাহ ময়দানের বিশেষ কোন ইবাদত স্থান নয়। কেউ যদি জাবালে রহমতে ইবাদত মনে করে আরোহণ করে, তবে তা সুস্পষ্ট বিদ‘আত হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ১১/২০৬-২০৮; উছায়মীন, মাজমূ ফাতাওয়া ২৩/৩২)

This entry was posted in হজ্জের বর্তমানে মসজিদে নামিরায় কেন খুৎবা দেওয়া হচ্ছে? and tagged , , . Bookmark the permalink.