আমার ভাই-ভাতিজা পুরোপুরি কবরপূজারী মুশরিক। তাই তারা আমার সম্পত্তিতে অংশীদার হবে ভেবে আমি আমার তিন মেয়ের নামে সকল সম্পদ লিখে দিয়েছি। এটা জায়েয হয়েছে কি? কবরপূজারীরা সম্পদের অংশীদার হবে কি?


কোন মুসলমান কবরপূজারী হ’লে সে নিঃসন্দেহে শিরককারী ও কবীরা গোনাহগার। কিন্তু প্রকাশ্যে কালেমা শাহাদতকে অস্বীকার করেনি বিধায় সে প্রকৃত কাফির গণ্য হবে না এবং তার অন্তরের পাপের হিসাব আল্লাহর উপরেই ন্যস্ত হবে (বুখারী হা/২৫; মুসলিম হা/২১-২২; মিশকাত হা/১২)। সুতরাং সে অন্যান্যদের মত সম্পত্তির ওয়ারিছ হবে এবং তাকে বঞ্চিত করে কন্যাদের সম্পদ লিখে দেয়া যাবে না। কারণ মীরাছের বিধান আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত (নিসা ৪/১৩-১৪)। তাছাড়া উক্ত কবরপূজারী যেকোন সময় তওবা করে ফিরেও আসতে পারে। আল্লাহ বলেন, যে কেউ দুষ্কর্ম করে অথবা স্বীয় জীবনের প্রতি অবিচার করে, অতঃপর আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থী হয়, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও দয়ালু হিসাবে পাবে’ (নিসা ৪/১১০)। তিনি আরো বলেন, তোমাদের মধ্যে যদি কেউ অজ্ঞতাবশে কোন মন্দকাজ করে, অতঃপর যদি সে তওবা করে ও নিজেকে সংশোধন করে নেয়, তবে তিনি (তার ব্যাপারে) ক্ষমাশীল ও দয়াবান (আন‘আম ৬/৫৪)। অবশ্য অনেক বিদ্বান এরূপ কবরপূজারীরা তওবা না করলে ওয়ারিছ হবে না মর্মে মত প্রকাশ করেছেন (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ১/১৮১)

This entry was posted in সম্পদের অংশীদার কবরপূজারীরা হবে কি? and tagged , , . Bookmark the permalink.