তালাকে মু‘আল¬াক্ব বা শর্ত সাপেক্ষে তালাক দিলে তা গ্রহণীয় হবে কি?


শর্ত সাপেক্ষে তালাক দিলে তালাক হয়ে যাবে। যেমন কেউ তার স্ত্রীকে বলল, তুমি তোমার পিতার বাড়ি গেলে তালাক হয়ে যাবে। অতঃপর সে যদি পিতার বাড়ি যায় তাহ’লে তালাক হয়ে যাবে। অনুরূপভাবে কেউ যদি তার স্ত্রীকে বলে তুমি আগামী মাসের অমুক তারিখে তালাক, তাহ’লে উক্ত মাসের নির্দিষ্ট দিনে তালাক হয়ে যাবে। তবে এর মধ্যে তালাকদাতা তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলে তালাক সাব্যস্ত হবে না। কিন্তু তাকে কসম ভঙ্গের কাফফারা দিতে হবে। আর তা হ’ল, আল্লাহ বলেন, ‘কসম ভঙ্গের জন্য তোমরা দশজন অভাবগ্রস্তকে মধ্যম মানের খাদ্য প্রদান করবে যা তোমরা সাধারণতঃ খেয়ে থাক, অথবা তাদেরকে অনুরূপ মানের পোষাক প্রদান করবে অথবা একটি ক্রীতদাস বা দাসী মুক্ত করে দিবে। এগুলির কোনটা না পারলে একটানা তিনদিন ছিয়াম পালন করবে’ (মায়েদাহ ৫/৮৯)

উল্লেখ্য যে, কেউ যদি স্ত্রীকে ভয় দেখানোর জন্য তালাকের নিয়ত ছাড়া এরূপ কথা বলে, তাহ’লে তালাক পতিত হবে না। বরং তাকে কসম ভঙ্গের কাফফারা দিতে হবে (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩৩/৪৬; আশ শারহুল মুমতে‘ ১৩/১২৭)। সমাজে বর্তমানে তালাক নিয়ে বাড়াবাড়ি চলছে। এগুলি অবশ্যই পরিত্যাজ্য।

This entry was posted in তালাকে শর্ত সাপেক্ষে দিলে তা গ্রহণীয় হবে কি? and tagged . Bookmark the permalink.