‘মরিয়ম ফুল’ সম্পর্কে সমাজে অনেক রেওয়াজ চালু আছে। অনেকে হজ্জ করতে গিয়ে মরিয়ম ফুল কিনে নিয়ে আসে এবং এর পানি দ্বারা উপকার গ্রহণ করে থাকে। এগুলোর সত্যতা জানতে চাই।


মরু অঞ্চলের ক্ষণজন্মা উদ্ভিদ মরিয়ম ফুল। মধ্যপ্রাচ্য ও সাব-সাহারার বিস্তীর্ণ মরুময় অঞ্চলে বছরের পর বছর শুকনো গাছ মাটি আঁকড়ে থাকে। মরুভূমির অসহনীয় গরমের মধ্যে থাকা শুকনো এই গাছ এবং নির্জীব পাথরের মধ্যে কোন পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায় না। কখনও বৃষ্টির পরশ পেলে জীবন ফিরে পায় এবং এর বংশ বিস্তার ঘটে। এই গাছের ফুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, দস্তা এবং লোহা। বিশেষত, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম একসঙ্গে পেশী সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। এর কোন নেতিবাচক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। প্রসবকালীন সময় এই ফুল বিশেষ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করতে হয়। এতে প্রসূতি মায়ের প্রসব বেদনা লাঘব হয় এবং দ্রুত ও সহজে ডেলিভারী সম্পন্ন হয় বলে কথিত আছে (তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট)। সুতরাং ঔষধি গাছ হিসাবে চিকিৎসার জন্য এই ফুল থেকে উপকার গ্রহণ করা যাবে।

This entry was posted in মরিয়ম ফুল’ দ্বারা উপকার গ্রহণ করা যাবে কি? and tagged . Bookmark the permalink.