ভারতের ভূপালে একটি নারী জিমনেশিয়াম হয়েছে। যেখানে নারীরা জিম করতে পারে। কোন পুরুষ থাকে না। এক্ষণে এটা কি জায়েয হবে?


পর্দার সাথে নারীরা শরীর চর্চা করতে পারে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, সবল মুমিন আল্লাহর নিকট দুর্বল মুমিন অপেক্ষা বেশী প্রিয়। আর প্রত্যেকের মধ্যে কল্যাণ রয়েছে। তুমি ঐ জিনিসে যত্নবান হও, যাতে তোমার কল্যাণ আছে’ (মুসলিম হা/২৬৬৪; মিশকাত হা/৫২৯৮)। তিনি আরো বলেন, তোমরা তীরন্দাযী কর ও ঘোড়দৌড় শিক্ষা কর। তবে তোমাদের ঘোড়দৌড় শেখার তুলনায় তীরন্দাযী শিক্ষা করা আমার নিকট বেশী পসন্দনীয়। মুসলিম ব্যক্তির সকল ক্রীড়া-কেŠতুকই বৃথা। তবে তীর নিক্ষেপ, ঘোড়ার প্রশিক্ষণ, সাঁতার শিক্ষা এবং নিজ স্ত্রীর সাথে ক্রীড়া-কৌতুক বৃথা নয়। কারণ এগুলো উপকারী ও বিধি সম্মত (তিরমিযী হা/১৬৩৭; ছহীহাহ হা/৩১৫; ছহীহুত তারগীব হা/১২৮২)। পৃথক ব্যবস্থাপনা থাকলেও সর্বাবস্থায় নারীকে স্বীয় আব্রু ও সম্ভ্রমের ব্যাপারে সাবধান থাকতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যেসব মহিলা স্বীয় ঘর  ব্যতীত অন্য জায়গায় কাপড় খোলে, তারা নিজেদের ও আল্লাহর মধ্যকার পর্দা ছিন্ন-ভিন্ন করে ফেলে’ (আবুদাউদ হা/৪০১০; ছহীহুল জামে‘ হা/৫৬৯২; ছহীহাহ হা/৩৪৪২)

This entry was posted in নারীদের জিম করা জায়েয হবে কি? and tagged , , . Bookmark the permalink.