আমি একটি মেয়ের দ্বীনদারী দেখে দু’বছর পরে তাকে বিবাহের ব্যাপারে তার পিতার সাথে ওয়াদাবদ্ধ হই। তার সাথে ফোনে নিয়মিত কথা হ’ত। এখন মেয়েটির মধ্যে পূর্বের ন্যায় দ্বীনদারী দেখতে পাচ্ছি না এবং আমার পরিবারও তাকে পসন্দ করছে না। তাছাড়া তাকে বিবাহ করলে আমার সকল আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে। সেজন্য আমি এখন উক্ত মেয়েকে বিবাহে রাযী নই। এক্ষণে আমার জন্য করণীয় কি?


অঙ্গীকার রক্ষা করা মুসলমানের জন্য অবশ্য কর্তব্য। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা অঙ্গীকার পূর্ণ কর। নিশ্চয়ই অঙ্গীকার সম্পর্কে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে’ (ইসরা ১৭/৩৪)। এক্ষণে প্রশ্নমতে যদি মেয়েটির মধ্যে যথার্থই দ্বীনদারী না থাকে, তাহ’লে উক্ত অঙ্গীকার রক্ষা করা যরূরী নয় এবং এতে পাপ হবে না ইনশাআল্লাহ (তওবা ৭; আনফাল ৫৮)। তবে যদি আল্লাহর নামে অঙ্গীকার করে থাকে, তাহ’লে কসমের কাফফারা দিবে। আর কসমের কাফফারা হ’ল ১০ জন মিসকীনকে মধ্যম ধরনের খাদ্য বা পোষাক প্রদান করা অথবা একটি গোলাম আযাদ করা। অথবা তিনটি ছিয়াম পালন করা’ (মায়েদাহ ৫/৮৯)

This entry was posted in দ্বীনদারী না হলে তাকে দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করা জরূরী কি? and tagged , , . Bookmark the permalink.