জুম‘আর দিনে খুৎবা দীর্ঘ হ’লে মুছল্লীরা বিভিন্ন কথা বলে। আবার কেউ কেউ ঘড়ি দেখায়। এক্ষেত্রে খতীবের করণীয় কী?


খুৎবা আখেরাতমুখী, সংক্ষিপ্ত ও সারগর্ভ হওয়া বাঞ্ছনীয় (মুসলিম, মিশকাত হা/১৪০৫-০৬)। তবে প্রয়োজনমাফিক খুৎবা দীর্ঘ হওয়াতে বাধা নেই। যেমন জাবের বিন সামুরাহ (রাঃ) বর্ণিত হাদীছে এসেছে যে, খুৎবার সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর দু’চোখ উত্তেজনায় লাল হয়ে যেত। গলার স্বর উঁচু হ’ত ও ক্রোধ ভীষণ হ’ত। যেন তিনি কোন সৈন্যদলকে হুঁশিয়ার করছেন’ (মুসলিম হা/৮৬৭; মিশকাত হা/১৪০৭; মির‘আত ৪/৪৯৬-৯৭)। ছাহেবে মির‘আত বলেন, ‘অবস্থা অনুযায়ী এবং মুছল্লীদের বোধগম্য ভাষায় খুৎবা দেওয়ার ব্যাপারে জাবের বিন সামুরাহ (রাঃ) বর্ণিত অত্র হাদীছটিই হ’ল প্রথম দলীল’ (মির‘আত হা/১৪১৮-এর আলোচনা দ্রঃ, ৪/৪৯৪-৯৫)

 

উম্মে হিশাম বলেন, আমি সূরা ক্বাফ মুখস্থ করেছি রাসূল (ছাঃ)-এর মুখ থেকে শুনে, যা তিনি প্রতি জুম‘আয় খুৎবা দানকালে পাঠ করতেন’ (মুসলিম হা/৮৭৩; মিশকাত হা/১৪০৯)

অতএব খুৎবা মধ্যম মানের হবে। খত্বীব ছাহেব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খুৎবা শেষ করার চেষ্টা করবেন। আর খুৎবা চলাকালীন সময়ে মুছল্লীদের যেকোন ধরনের প্রতিক্রিয়া গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ রাসূল (ছাঃ) খুৎবা চলাকালীন সময়ে পাশের মুছল্লীকে চুপ থাকার কথা বলতেও নিষেধ করেছেন (বুখারী হা/৯৩৪; মিশকাত হা/১৩৮৫)

Advertisements
This entry was posted in খুৎবা দীর্ঘ হ’লে মুছল্লীরা বিভিন্ন কথা বলে। এক্ষেত্রে খতীবের করণীয় কী? and tagged . Bookmark the permalink.