কোন হাদীছকে অধিক সংখ্যক বিদ্বান যদি ছহীহ বলেন এবং কিছু বিদ্বান যদি যঈফ বলেন, তবে কোন মতটি অগ্রাধিকারযোগ্য হবে? বিশেষত সাধারণ মানুষের জন্য কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা নিরাপদ হবে?


সাধারণ মানুষ এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ, আমলদার ও আল্লাহভীরু হাদীছপন্থী আলেমদের জিজ্ঞেস করে সঠিক বিষয়টি জেনে নিবে। আল্লাহ বলেন, যদি তোমরা  না জানো, তাহ’লে জ্ঞানীদের জিজ্ঞেস কর (নাহল ৪৩)। তিনি বলেন,  ‘সুসংবাদ দাও আমার বান্দাদেরকে’। ‘যারা মনোযোগ দিয়ে কথা শোনে, অতঃপর তার মধ্যে যেটা উত্তম সেটার অনুসরণ করে। তাদেরকে আল্লাহ সুপথে পরিচালিত করেন এবং তারাই হ’ল জ্ঞানী’  (যুমার ১৮)। আর উত্তম হ’ল ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক ইলম। তা কখনোই রায় ভিত্তিক ইলম নয়। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হ’ল, যেখানে একজন আহলুল হাদীছ আছেন, যিনি হাদীছের ছহীহ-যঈফ বুঝেন না। আরেকজন আহলুর রায় বা রায়পন্থী বিদ্বান আছেন। এমতাবস্থায় আমরা কার নিকট ফৎওয়া জিজ্ঞেস করব? জবাবে তিনি বললেন, আহলুল হাদীছকে জিজ্ঞেস কর। কেননা যঈফ হাদীছ রায়-এর চাইতে অধিক শক্তিশালী’ (ইবনুল ক্বাইয়িম, ই‘লামুল মুওয়াক্কে‘ঈন ১/৭৭)। ওমর (রাঃ) বলেন, তোমরা রায়পন্থীদের থেকে দূরে থাক। ওরা সুন্নাতের শত্রু। হাদীছ আয়ত্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় ওরা মনগড়া কথা বলে। ফলে নিজেরা পথভ্রষ্ট হয় ও অন্যকে পথভ্রষ্ট করে’ (দারাকুৎনী হা/৪২৩৬; দ্র.  সম্পাদকীয় ‘কল্যাণের অভিযাত্রী’  ১৬/১২ সংখ্যা সেপ্টেম্বর ২০১৩; দিগদর্শন-২ পৃ.২৭)

This entry was posted in দুইপক্ষ হাদীছের রায় দিলে কারটা অনুসরণ করবো? and tagged , . Bookmark the permalink.