জনৈক মহিলা মানত করেন যে, তার অসুস্থ সন্তান সুস্থ হলে ঈদগাহে ৫টি মোরগ ছেড়ে দিবে। মুছল্লীদের যে ধরতে পারবে সে খেয়ে নিবে।


এভাবে ঈদগাহে মোরগ ছেড়ে খেল-তামাশা করা জাহেলী যুগে কা‘বায় মূর্তিদের নামে বিভিন্ন প্রাণী ছেড়ে দেওয়ার ন্যায়। এ ধরনের মানত থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, মানতও এক প্রকারের ইবাদত, যা শারঈ বিধান মতে করতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর নাফরমানীর কাজে মানত করলে তা পূরণ করা জায়েয নয় এবং আদম সন্তান যার মালিক নয় তার মানত করা ও তা পূর্ণ করার প্রয়োজন নেই’। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘মহান আল্লাহর নাফরমানীতে মানত নেই’ (মুসলিম হা/১৬৪১; মিশকাত হা/৩৪২৮)। মানতের পরিবর্তে সন্তানের কল্যাণের জন্য দান করবে এবং তার সুস্থতার জন্য আল্লাহর নিকট দো‘আ করবে। রাসূল (ছাঃ) মানতকে নিষিদ্ধ না করলেও এ ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করে বলেন, ‘মানত কোন কিছুকে বিন্দুমাত্র এগিয়ে নিতেও পারে না এবং পিছাতেও পারে না। বরং মানতের মাধ্যমে কৃপণের নিকট হ’তে কিছু মাল বের করে নেয়া হয়’ (বুখারী হা/৬৬৯২)

This entry was posted in মানত মোরগ ছেড়ে যে ধরতে পারবে সে খাবে বলে করা যাবে কি? and tagged . Bookmark the permalink.