সম্প্রতি দেশে ‘হিউম্যান মিল্ক ব্যাংক’ নামে যে মাতৃদুগ্ধ সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হয়েছে। এটা শরী‘আতসম্মত কি?


এটি জায়েয হবে না। কারণ এতে হারাম সম্পর্ক সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে কে কার দুধ পান করবে সেটি জানা যাবে না। তাই অজ্ঞাতসারে দুধ ভাই-বোনের মধ্যে বিবাহ হতে পারে। আর ইসলামে দুধসম্পর্কীয়দের সাথে বিবাহ হারাম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘কেননা দুধ পানের সম্পর্ক দ্বারা ঐসব লোক হারাম হয়ে যায় যারা রক্ত সম্পর্ক দ্বারা হারাম হয় (বুখারী হা/২৬৪৫; মুসলিম হা/১৪৪৫)। ১৯৮৫ সালে ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে, এ ধরনের ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হারাম (ওয়ালীদ আসসাঈদান, আলইফাদাতুশ শারঈয়াহ ফী বা‘যিল মাসাইলিত তিবিবইয়াহ /২৭০)। তবে নবজাতকের জীবন রক্ষার্থে যদি এরূপ ব্যাংকের একান্ত প্রয়োজন দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে দুধ পৃথক পৃথকভাবে সংরক্ষিত হলে এবং দাতা ও গ্রহীতার পরিচয় সুস্পষ্ট থাকলে তা জায়েয হবে ইনশাআল্লাহ (বিস্তারিত দ্রঃ . জাবের ইসমাঈল, বুনূকুল হালীব ফী যূইল ফিক্বহিল ইসলামী, মাজাল্লাতুল উরদুনিইয়াহ, ৯ম সংখ্যা, ২০১৩)

This entry was posted in হিউম্যান মিল্ক ব্যাংক কি শরী‘আতসম্মত? and tagged , . Bookmark the permalink.