Category Archives: বাকী‌তে সুদের ব্যবসা করা যা‌বে কি?

সঊদী আরবে এক ধরনের অফিস রয়েছে, যেখানে ২০ হাযার টাকা মূল্যের মোবাইলের স্ক্র্যাচ কার্ড ৬ মাসের কিস্তিতে ৩০ হাযার টাকা পরিশোধ করার শর্তে বিক্রি করা হয়। অতঃপর ক্রেতা তা অন্যের নিকটে বিক্রি করে স্ক্র্যাচ কার্ডের টাকা ব্যবহার করে। শরী‘আতে এরূপ ব্যবসার বিধান কি?


উক্ত ব্যবসা হালাল নয়। কারণ উক্ত ব্যবসা রিবা আন-নাসিআহ বা বাকীতে ঋণের সূদ-এর উপর প্রতিষ্ঠিত। কেননা প্রতিষ্ঠানটি স্ক্র্যাচ কার্ড কিস্তিতে বিক্রয়ের মাধ্যমে মূলতঃ বাকীতে ঋণ প্রদানের উপর অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি কেবল অর্থলগ্নিকারী, পণ্যের বিক্রেতা নয়। ঋণগ্রহীতার সাথে ঋণদাতার … Continue reading

Posted in বাকী‌তে সুদের ব্যবসা করা যা‌বে কি?

সঊদী আরবে এক ধরনের অফিস রয়েছে, যেখানে ২০ হাযার টাকা মূল্যের মোবাইলের স্ক্র্যাচ কার্ড ৬ মাসের কিস্তিতে ৩০ হাযার টাকা পরিশোধ করার শর্তে বিক্রি করা হয়। অতঃপর ক্রেতা তা অন্যের নিকটে বিক্রি করে স্ক্র্যাচ কার্ডের টাকা ব্যবহার করে। শরী‘আতে এরূপ ব্যবসার বিধান কি?


উক্ত ব্যবসা হালাল নয়। কারণ উক্ত ব্যবসা রিবা আন-নাসিআহ বা বাকীতে ঋণের সূদ-এর উপর প্রতিষ্ঠিত। কেননা প্রতিষ্ঠানটি স্ক্র্যাচ কার্ড কিস্তিতে বিক্রয়ের মাধ্যমে মূলতঃ বাকীতে ঋণ প্রদানের উপর অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি কেবল অর্থলগ্নিকারী, পণ্যের বিক্রেতা নয়। ঋণগ্রহীতার সাথে ঋণদাতার … Continue reading

Posted in বাকী‌তে সুদের ব্যবসা করা যা‌বে কি?

সঊদী আরবে এক ধরনের অফিস রয়েছে, যেখানে ২০ হাযার টাকা মূল্যের মোবাইলের স্ক্র্যাচ কার্ড ৬ মাসের কিস্তিতে ৩০ হাযার টাকা পরিশোধ করার শর্তে বিক্রি করা হয়। অতঃপর ক্রেতা তা অন্যের নিকটে বিক্রি করে স্ক্র্যাচ কার্ডের টাকা ব্যবহার করে। শরী‘আতে এরূপ ব্যবসার বিধান কি?


উক্ত ব্যবসা হালাল নয়। কারণ উক্ত ব্যবসা রিবা আন-নাসিআহ বা বাকীতে ঋণের সূদ-এর উপর প্রতিষ্ঠিত। কেননা প্রতিষ্ঠানটি স্ক্র্যাচ কার্ড কিস্তিতে বিক্রয়ের মাধ্যমে মূলতঃ বাকীতে ঋণ প্রদানের উপর অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি কেবল অর্থলগ্নিকারী, পণ্যের বিক্রেতা নয়। ঋণগ্রহীতার সাথে ঋণদাতার … Continue reading

Posted in বাকী‌তে সুদের ব্যবসা করা যা‌বে কি?

আমরা ১৫ জন মিলে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা করে একটি মূলধন সংগ্রহ করে তা বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে থাকি। তারা ব্যবসায়িক পণ্য ক্রয় করে এবং কিস্তিতে সেই পণ্যের ক্রয়মূল্য সহ নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ (যেমন ২০০০ টাকার বিনিময়ে ২২০০ টাকা) লাভ হিসাবে আমাদেরকে প্রদান করে। উক্ত ব্যবসা হালাল হবে কি? যদি হারাম হয়ে থাকে তবে আমাদের করণীয় কি?


উক্ত ব্যবসা হালাল নয়। কারণ উক্ত ব্যবসা রিবা আন-নাসিআহ বা বাকীতে ঋণের সূদ-এর উপর প্রতিষ্ঠিত। কেননা প্রতিষ্ঠানটি মূলতঃ বাকীতে ঋণ প্রদানের উপর অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি কেবল অর্থলগ্নিকারী, পণ্যের বিক্রেতা নয় এবং ঋণগ্রহীতার সাথে ঋণদাতার সম্পর্ক এখানে ঋণের, পণ্যের … Continue reading

Posted in বাকী‌তে সুদের ব্যবসা করা যা‌বে কি?, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে লাভের উপর ঋণ দেওয়া যাবে কি?, সুদের উপর টাকা দেওয়া যাবে কি? | Leave a comment

সূদ ও ঘুষের পার্থক্য কি? টাকা দিয়ে চাকুরি নেয়ার ফলে আমার সারাজীবনের আয় অর্থাৎ আমার বেতনের টাকা কি হারাম হয়ে যাবে?


সূদ হচ্ছে প্রদানকৃত বা গ্রহণকৃত বস্ত্ত বা টাকার বিনিময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে বর্ধিত আকারে তা প্রদান বা গ্রহণ করা। আর ঘুষ হচ্ছে কিছু লাভ বা পাওয়ার উদ্দেশ্যে কাউকে হাদিয়া হিসাবে কিছু প্রদান করা। এমনকি কখনও সূদের উপর ঋণ নেয়ার জন্যও ঘুষ … Continue reading

Posted in বাকী‌তে সুদের ব্যবসা করা যা‌বে কি?, সূদ ও ঘুষের পার্থক্য কি? | Leave a comment

সূদ নেওয়া ও দেওয়া দু’টিই হারাম। কিন্তু দরিদ্র লোক কর্য চাইলে ধনীরা সূদ ব্যতীত দিতে চায় না। এক্ষণে দরিদ্র লোকদের উপায় কী? সংসার চালানোর জন্য সে সূদ দেওয়ার শর্তে ঋণ নিতে পারবে কি?


পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকে আল্লাহ তা‘আলা রূযী দান করে থাকেন (হূদ ৬)। তাকে আল্লাহ্র উপর ভরসা করে ও তাঁর সাহায্য চেয়ে জীবন-জীবিকার জন্য অন্য কোন হালাল পন্থা অবলম্বন করতে হবে। কিন্তু সংসার চালানোর জন্য সূদের ওপর ঋণ নেওয়া যাবে না (মুসলিম … Continue reading

Posted in বাকী‌তে সুদের ব্যবসা করা যা‌বে কি?, সূদ গরীব লোকেরা নিতে পারবে কি? | Leave a comment