Tag Archives: ইমাম

জুম‘আর খুৎবায় ইমাম ছাহেব বিদ‘আতপূর্ণ কথা বলেন। একারণে ইচ্ছাকৃতভাবে দেরী করা যাবে কি?


যথাসময়ে মসজিদে উপস্থিত হতে হবে। নতুবা মুছল্লী বহু নেকী থেকে বঞ্চিত হবে (মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/১৩৮১-৮৪, ১৩৮৮)। প্রয়োজনে যে মসজিদে কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ মোতাবেক খুৎবা হয় সেখানে যেতে হবে। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, মুছল্লী যদি জানতে পারে যে তার ইমাম … Continue reading

Posted in খুৎবায় বিদ‘আতপূর্ণ কথা বলেন। একারণে ইচ্ছাকৃতভাবে দেরী করা যাবে কি? | Tagged , , ,

মাসবূক যদি দ্বিতীয় রাক‘আতে ইমামের সাথে যোগদান করে আর ইমাম ভুল করে পাঁচ রাক‘আত ছালাত আদায় করে সালাম ফিরায়, তাহ’লে মাসবূক কি ইমামের সাথে সালাম ফিরাবে? না আরো এক রাক‘আত আদায় করে সালাম ফিরাবে? একইভাবে ইমাম যদি ভুলবশতঃ তৃতীয় রাক‘আত শেষে সালাম ফিরায় এবং পরক্ষণে দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট রাক‘আত আদায় করে, সেক্ষেত্রে মাসবূক কি করবে?


এক্ষেত্রে মাসবূকের রাক‘আত পূর্ণ হয়ে গেছে। অতএব সে ইমামের সাথে সালাম ফিরিয়ে ছালাত সম্পন্ন করবে (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া প্রশ্নোত্তর ৬৫২, ১৪/০৬)। এ সময় ইমাম সহো সিজদা দিলে সে তার অনুসরণ করবে। কেননা ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরণের জন্য (আবুদাঊদ হা/৬০৪ প্রভৃতি; … Continue reading

Posted in মাসবূক দ্বিতীয় রাক‘আতে ইমামের সাথে যোগদান করলে ইমাম পাঁচ রাকাত পড়ালে করণীয় | Tagged , ,

জামা‘আতের সময় হয়ে গেলেও ইমাম ছাহেব ছালাত শুরু না করে নিয়মিতভাবে ৪-৫ মিনিট মাসআলা-মাসায়েল নিয়ে আলোচনা করেন। তারপর জামা‘আত শুরু করেন। এরূপ করা সঠিক কি?


এ সময় মাঝে-মধ্যে অতি সংক্ষেপে কেবল ছালাত ও কাতার সংক্রান্ত কথা বলা যাবে। যেমন আনাস (রাঃ) বলেন, ছালাতের ইক্বামত হয়ে গেলে রাসূল (ছাঃ) আমাদের দিকে ফিরে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘তোমরা তোমাদের কাতার সোজা কর এবং ভালভাবে পরস্পরে মিলে দাঁড়াও’ (বুখারী হা/৭১৯; মুসলিম … Continue reading

Posted in ছালাত শুরু করার পূর্বে মাসআলা-মাসায়েল নিয়ে আলোচনা করা যাবে কি? | Tagged ,

আমাদের মসজিদের ইমাম ছাহেব গত তিন বছর যাবৎ সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু এবছর বার্ষিক মাহফিলে তার নির্বাচিত প্রধান বক্তা অসুস্থতার কারণে বক্তব্য দিতে ব্যর্থ হওয়ার ফলে মাহফিল পন্ড হয়ে যায়। এতে মুছল্লীরা তাকে আর ইমামতির দায়িত্বে রাখতে চায়না। এক্ষণে এই সামান্য কারণে ইমাম ছাহেবকে বরখাস্ত করা জায়েয হবে কি?


এরূপ কারণে ইমাম ছাহেবকে বরখাস্ত করা জায়েয হবে না। বরং স্পষ্ট যুলুম হবে। বাহ্যিক দৃষ্টিতে এখানে ইমাম ছাহেব দোষী নন। আর আল্লাহ বলেন, ‘প্রত্যেক ব্যক্তি স্বীয় কৃতকর্মের জন্য দায়ী হবে। কেউ কারু পাপের বোঝা বহন করবে না’ (আন‘আম ৬/১৬৪)। এ ব্যাপারে … Continue reading

Posted in মাহফিল পন্ডের কারনে ইমামকে বরখাস্ত করা ঠিক হবে কি? | Tagged

ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) সকল ফৎওয়াই কি ছহীহ হাদীছের উপর প্রদান করেছেন? যদি না করে থাকেন তবে তা অন্ধভাবে অনুসরণ করা যাবে কি?


অনুসরণীয় চার ইমামের মধ্যে ইমাম শাফেঈ (রহঃ) ব্যতীত বাকী তিনজনের কেউই ফিক্বহী বিষয়ে কোন গ্রন্থ রচনা করে যাননি। যদি ‘ফিক্বহে আকবর’ ও ‘মুসনাদে আবু হানীফা’-কে তাঁর কিতাব বলে ধরেও নেওয়া হয়, তাহ’লে বলা হবে যে, প্রথমোক্ত ছোট পুস্তিকাটি আক্বায়েদের উপরে … Continue reading

Posted in ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) সকল ফৎওয়াই কি ছহীহ হাদীছের উপর প্রদান করেছেন? | Tagged ,

নবম শ্রেণীর ইসলাম শিক্ষা বইয়ে ১৬৯ পৃষ্ঠায় আছে যে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) একাধারে ত্রিশ বছর রোযা রেখেছেন ও চল্লিশ বছর যাবৎ রাতে ঘুমাননি। অর্থাৎ এশার ওযূতে ফজরের ছালাত আদায় করেছেন। বর্ণনাটি কতটুকু সত্য?


এসব বর্ণনা মুক্বাদ্দামা শরহ বেকায়াহ ৩৬-৩৭ পৃষ্ঠা সহ বিভিন্ন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। তবে তার সবই যঈফ (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২২/৩০৩. ফাতাওয়াউল কুবরা ২/১৩৭)। আলবানী বলেন, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ)-এর ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি এশার ওযূতে চল্লিশ বছর ফজরের … Continue reading

Posted in ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) একাধারে ত্রিশ বছর রোযা রেখেছেন কি? | Tagged