Tag Archives: ওয়াদা

একই পাপ বারবার করে বহুবার তওবা করেছি। এভাবে বারবার ওয়াদা ভঙ্গ করলে তওবা কবুলযোগ্য হবে কি?


কবুলযোগ্য হবে ইনশাআল্লাহ্। একই পাপ একাধিক বার করা বড় অন্যায়। তবে তা তওবা কবুলের জন্য প্রতিবন্ধক নয়। যেমন হাদীছে বর্ণিত হয়েছে যে, ‘এক বান্দা গুনাহ করল। তারপর সে বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমি তো গুনাহ করে ফেলেছি। তাই আমার গুনাহ … Continue reading

Posted in ওয়াদা বার বার ভঙ্গ করলে তওবা কবুলযোগ্য হবে কি? | Tagged ,

আমি একটি মেয়ের দ্বীনদারী দেখে দু’বছর পরে তাকে বিবাহের ব্যাপারে তার পিতার সাথে ওয়াদাবদ্ধ হই। তার সাথে ফোনে নিয়মিত কথা হ’ত। এখন মেয়েটির মধ্যে পূর্বের ন্যায় দ্বীনদারী দেখতে পাচ্ছি না এবং আমার পরিবারও তাকে পসন্দ করছে না। তাছাড়া তাকে বিবাহ করলে আমার সকল আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে। সেজন্য আমি এখন উক্ত মেয়েকে বিবাহে রাযী নই। এক্ষণে আমার জন্য করণীয় কি?


অঙ্গীকার রক্ষা করা মুসলমানের জন্য অবশ্য কর্তব্য। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা অঙ্গীকার পূর্ণ কর। নিশ্চয়ই অঙ্গীকার সম্পর্কে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে’ (ইসরা ১৭/৩৪)। এক্ষণে প্রশ্নমতে যদি মেয়েটির মধ্যে যথার্থই দ্বীনদারী না থাকে, তাহ’লে উক্ত অঙ্গীকার রক্ষা করা যরূরী নয় এবং এতে পাপ হবে … Continue reading

Posted in দ্বীনদারী না হলে তাকে দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করা জরূরী কি? | Tagged , ,

আমি প্রকাশ না করার ব্যাপারে ওয়াদাবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও একজনের গোপন পাপ তার পিতা-মাতার নিকটে প্রকাশ করে দিয়েছি। আমার লক্ষ্য ছিল তার অভিভাবককে বলে তাকে সংশোধন করা। এক্ষণে ওয়াদা ভঙ্গের জন্য আমি গোনাহগার হব কি? এজন্য তার নিকটে ক্ষমা না নিলে ক্ষমা হবে কি?


এরূপ ওয়াদা ভঙ্গের কারণে গুনাহগার হবে না। আর এজন্য তার নিকট ক্ষমা চাইতেও হবে না (ইমাম শাফেঈ, আল-উম্ম, ৮/৬৩১)। কোন ব্যক্তিকে সংশোধনের উদ্দেশ্যে সমালোচনা বৈধ বা তার গোপন কথা এমন ব্যক্তিকে বলা যায়, যার মাধ্যমে সে সংশোধন হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, … Continue reading

Posted in ওয়াদা ভঙ্গের জন্য আমি গোনাহগার হতে হবে কি? | Tagged ,