Tag Archives: তাফসীর

তাফসীরে ইবনে আববাস কতটুকু ছহীহ? উক্ত তাফসীর যদি ছহীহ ও সকলের জন্য যথেষ্ট হয় তাহ’লে অন্যান্য তাফসীর গ্রন্থের প্রয়োজন কি?


ইবনু আববাস (রাঃ) তাফসীর বা অন্য কোন গ্রন্থ রচনা করে যাননি। ‘তাফসীর ইবনু আববাস’ নামে যে তাফসীর গ্রন্থ প্রচলিত রয়েছে তা পরবর্তীতে রচিত। তাই তাঁর প্রতি এই তাফসীর গ্রন্থটি সম্বন্ধিত করা যাবে না। ইবনু আববাসের তাফসীর হিসাবে একটি তাফসীর রচনা … Continue reading

Posted in তাফসীরে ইবনে আববাস কতটুকু ছহীহ? | Tagged

তাফসীর ইবনে কাছীর গ্রন্থে আয়াতের ব্যাখ্যায় যে সব হাদীছ বা ছাহাবীদের মতামত উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি সব কি ছহীহ?


সবগুলি ছহীহ নয়। যার কিছু কিছু তিনি নিজেই  যঈফ সাব্যস্ত করেছেন। আবার কিছু পরবর্তী মুহাদ্দিছগণ যঈফ প্রমাণ করেছেন।

Posted in তাফসীর ইবনে কাছীর গ্রন্থে আয়াতের ব্যাখ্যা সব কি ছহীহ? | Tagged

সূরা ফাতিহার মোট কয়টি নাম রয়েছে। ছহীহ হাদীছের আলোকে জানিয়ে বাধিত করবেন।


বিভিন্ন হাদীছ, আছার ও বিদ্বানগণের নামকরণের মাধ্যমে অন্যূন ৩০টি নাম বর্ণিত হয়েছে। তন্মধ্যে ছহীহ হাদীছসমূহে এসেছে ৮টি। যেমন : (১) উম্মুল কুরআন (কুরআনের মূল)। (২) উম্মুল কিতাব (কিতাবের মূল)। (৩) আস-সাব‘উল মাছানী (সাতটি বারবার পঠিতব্য আয়াত)। (৪) আল-কুরআনুল ‘আযীম (মহান … Continue reading

Posted in সূরা ফাতিহার মোট কয়টি নাম রয়েছে ? | Tagged

সূরা বাক্বারাহ ১১৫ আয়াতের সঠিক অর্থ জানতে চাই।


উক্ত আয়াতের অর্থ হল, ‘আর আল্লাহর জন্যই পূর্ব ও পশ্চিম। অতএব যেদিকেই তোমরা মুখ ফিরাও সেদিকেই রয়েছে আল্লাহর চেহারা। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বব্যাপী ও সর্বজ্ঞ’। উল্লেখ্য যে, তাফসীর মা‘আরেফুল কুরআনের বঙ্গানুবাদে বলা হয়েছে, ‘তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান’। আল্লাহ … Continue reading

Posted in তাফসীর, সূরা বাক্বারাহ ১১৫ আয়াতের সঠিক অর্থ জানতে চাই। | Tagged

সূরা আলে ইমরান ১০২ নং আয়াতে বর্ণিত মুমিন ও মুসলিমের মধ্যে পার্থক্য কি? আর মুহসিন কাকে বলে?


আয়াতটির অর্থ হ’ল- ‘হে মুমিনগণ! তোমরা যথার্থভাবে আল্লাহকে ভয় কর এবং তোমরা অবশ্যই  মুসলিম না হয়ে মরো না’ (আলে ইমরান ৩/১০২)। এখানে তিনটি বিষয় এসেছে, মুমিন, মুত্তাক্বী ও মুসলিম। প্রথম দু’টি হৃদয়ে বিশ্বাসগত কমবেশীর সাথে সম্পর্কিত এবং শেষেরটি বাহ্যিক আমলের সাথে … Continue reading

Posted in মুমিন ও মুসলিমের মধ্যে পার্থক্য কি? আর মুহসিন কাকে বলে? | Tagged

সূরা তওবা ১১ ও ৮৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই।


সূরা তওবা ১১ আয়াতের অর্থ হ’ল- এক্ষণে যদি ওরা তওবা করে এবং ছালাত কায়েম করে ও যাকাত আদায় করে, তাহ’লে ওরা তোমাদের দ্বীনী ভাই। আর আমরা জ্ঞানী লোকদের জন্য আয়াত সমূহ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করে থাকি’ (তওবা ৯/১১)। ইবনু কাছীর (রহঃ) … Continue reading

Posted in তাফসীর, সূরা তওবা ১১ ও ৮৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই। | Tagged

সূরা বাক্বারাহ ১৪৮ আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই।


আয়াতটির অর্থ হ’ল, আর প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে পৃথক ক্বিবলা, যেদিকে তারা উপাসনাকালে মুখ করে থাকে। কাজেই দ্রুত সৎকর্ম সমূহের দিকে এগিয়ে যাও (অর্থাৎ কা‘বামুখী হও)। যেখানেই তোমরা থাক না কেন, আল্লাহ তোমাদের সকলকে সমবেত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল … Continue reading

Posted in তাফসীর, সূরা বাক্বারাহ ১৪৮ আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই। | Tagged

সূরা তীন পড়া শেষে ‘বালা ওয়া ‘আলা আনা যালিকা মিনাশ শাহিদীন’ পড়তে হবে কি?


এ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (আহমাদ হা/১৪২১; আবুদাঊদ হা/৮৮৭; মিশকাত হা/৮৬০, আলবানী, আরনাঊত্ব, সনদ যঈফ)।

Posted in সূরা তীন পড়া শেষে ‘বালা ওয়া ‘আলা আনা যালিকা মিনাশ শাহিদীন’ পড়তে হবে কি? | Tagged

শোনা যায় যে, দাঊদ (আঃ) যখন যবূর তেলাওয়াত করতেন, তখন মাছ তাঁর তেলাওয়াত শ্রবণের জন্য সমূদ্রের কিনারায় চলে আসত। এ কথার কোন সত্যতা আছে কি?


‘মাছ সমূদ্রের কিনারায় চলে আসত’- একথা সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। বিভিন্ন তাফসীর গ্রন্থে জিন, মানুষ, পাখি, চতুষ্পদ জন্তু সমূহ দাউদ (আঃ)-এর তেলাওয়াত শুনার জন্য একত্রিত হ’ত বলে সূত্রবিহীনভাবে বর্ণিত হয়েছে(কাশফুল বায়ান ৩/৪১৬; তাফসীরুল কাবীর ২৬/৩৭৬)। যা গ্রহণযোগ্য নয়। ছহীহ হাদীছ … Continue reading

Posted in দাঊদ (আঃ) যবূর তেলাওয়াত করলে মাছ সমূদ্রের কিনারায় চলে আসত কি? | Tagged ,

সূরা ইউসুফের ১০৬ নং আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই।


আয়াতটির অর্থ হ’ল, তাদের অধিকাংশ আল্লাহকে বিশ্বাস করে। অথচ সেই সাথে শিরক করে’(ইউসুফ ১২/১০৬)। এর ব্যাখ্যা হ’ল, পৃথিবীতে অধিকাংশ মানুষই সৃষ্টিকর্তা হিসাবে আল্লাহকে বিশ্বাস করে। কিন্তু সেই সাথে অন্যকে শরীক করে। যেমন মক্কার মুশরিকরা আল্লাহকে বিশ্বাস করত। আসমান-যমীন, পাহাড়-পর্বত সবকিছুর … Continue reading

Posted in সূরা ইউসুফের ১০৬ নং আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই। | Tagged

সূরা কাহফের বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি?


এ ব্যাপারে কয়েকটি বর্ণনা পাওয়া যায়। যেমন, রাসূল (ছাঃ) বলেন, সূরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত পাঠ করলে বা মুখস্থ করলে দাজ্জালের ফেৎনা থেকে নিরাপদ থাকা যায় (মুসলিম, ইবনু হিববান হা/৭৮৬; মিশকাত হা/২১২৬)। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহফ পাঠ করবে, … Continue reading

Posted in সূরা কাহফের বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি? | Tagged

সূরা কাওছার -এর তাফসীর


সূরা কাওছার (হাউয কাওছার) সূরা তাকাছুর-এর পরে মক্কায় অবতীর্ণ। সূরা ১০৮, আয়াত ৩, শব্দ ১০, বর্ণ ৪২। بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)। (১) নিশ্চয়ই আমরা তোমাকে ‘কাওছার’ দান করেছি إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ (২) … Continue reading

Posted in তাফসীর | Tagged | Leave a comment

তিনি সর্বদা কোন না কোন কাজে রত আছেন (রহমান ২৯)। হে মানুষ ও জিন! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্য কর্ম মুক্ত হব (রহমান ৩১)। উক্ত আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যা জানতে চাই।


হযরত আবুদ্দারদা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেছেন যে, كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِيْ شَأْنٍ ‘আল্লাহ সর্বদা মহান কর্মে ব্যস্ত’ (রহমান ২৯)-এর ব্যাখ্যা এই যে, তিনি সর্বক্ষণ কারু পাপ ক্ষমা করছেন, কারু বিপদ সরিয়ে দিচ্ছেন, কাউকে উচ্চ সম্মানিত করছেন, কাউকে অপদস্থ … Continue reading

Posted in তাফসীর, হে মানুষ ও জিন! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্য কর্ম মুক্ত হব (রহমান ৩১)। ব্যাখ্যা | Tagged , | Leave a comment

সূরা কাফেরূন -এর তাফসীর


সূরা কাফেরূন (ইসলামে অবিশ্বাসীগণ) সূরা মা‘ঊন-এর পরে মক্কায় অবতীর্ণ। সূরা ১০৯, আয়াত ৬, শব্দ ২৭, বর্ণ ৯৫। بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)। (১) তুমি বল! হে অবিশ্বাসীগণ! قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ (২) আমি … Continue reading

Posted in তাফসীর, সূরা কাফেরূন -এর তাফসীর | Tagged | Leave a comment

সূরা ক্বাছাছ ৮৮ আয়াত এবং রহমান ২৭ আয়াতে ‘ওয়াজহু’ শব্দ দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে? অনেকে বলেন, ইমাম বুখারী (রহঃ) এর অর্থ ‘আল্লাহর রাজত্ব’ করেছেন। এ ব্যাপারে সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।


অত্র আয়াতে ‘ওয়াজহু’ দ্বারা আল্লাহ তা‘আলার ‘চেহারা’ বুঝানো হয়েছে (ইবনু কাছীর, আয়াতদ্বয়ের তাফসীর দ্রঃ)। উল্লেখ্য যে, অত্র আয়াতের তাফসীরে ইমাম বুখারী (রহঃ) দু’টি কওল উদ্ধৃত করেছেন। একটি হ’ল ملكه ‘তাঁর রাজত্ব’ যা মা‘মার থেকে বর্ণিত হয়েছে। এটা তিনি কেবল একাই … Continue reading

Posted in সূরা ক্বাছাছ ৮৮ আয়াত এবং রহমান ২৭ আয়াতে ‘ওয়াজহু’ শব্দ দ্বারা | Tagged | Leave a comment

কিয়ামতের নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে, দাসী তার মনিবকে প্রসব করবে। উক্ত কথার তাৎপর্য কি?


এর অর্থ মেয়ে তার মায়ের উপর খবরদারী করবে এবং তারা চরম অবাধ্য হবে। অন্য বর্ণনায় ربها পুংলিঙ্গ এসেছে। ফলে এর ব্যাখ্যায় অনেকগুলি মত এসেছে। ছাহেবে মির‘আত বলেন, আমাদের নিকট সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য মত হ’ল, সন্তানেরা পিতা-মাতার চরম অবাধ্য হবে। সন্তান তার … Continue reading

Posted in কিয়ামতের নিদর্শন কি দাসী তার মনিবকে প্রসব করা? | Tagged | Leave a comment

সূরা নিসা ১১৭ নং আয়াতের ব্যাখ্যা


অনুবাদ : ‘তারা (মক্কার মুশরিকরা) আল্লাহ্কে ছেড়ে শুধু কতকগুলো দেবীরই পূজা করে, তারা কেবল আল্লাহদ্রোহী শয়তানের পূজা করে (নিসা ১১৭)। এ আয়াতে বর্ণিত ‘ইনাছা’ শব্দের ব্যাখ্যায় ছাহাবী উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বলেন, مَعَ كُلِّ صَنَمٍ جِنِّيَّةٌ প্রত্যেক মূর্তির সাথে একজন … Continue reading

Posted in তাফসীর, সূরা নিসা ১১৭ নং আয়াতের ব্যাখ্যা | Tagged , | Leave a comment

সূরা ইখলাছ এর তাফসীর


সূরা ইখলাছ (বিশুদ্ধ করণ) মক্কায় অবতীর্ণ। সূরা ১১২, আয়াত ৪, শব্দ ১৫, বর্ণ ৪৭। بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)। (১) বল, তিনি আল্লাহ এক قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ (২) আল্লাহ মুখাপেক্ষীহীন اللَّهُ الصَّمَدُ … Continue reading

Posted in তাফসীর | Tagged | Leave a comment

দরিদ্রতার ভয়ে তোমাদের সন্তানদের হত্যা ক‌রো না।


সূরা বনী ইস্রাঈলের ৩১ নং আয়াতের অনুবাদ : আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা দরিদ্রতার ভয়ে তোমাদের সন্তানদের হত্যা করোনা। তাদেরকে এবং তোমাদেরকে আমিই খাদ্য প্রদান করে থাকি। নিশ্চয়ই তাদের হত্যা করা মহাপাপ’ (ইসরা ৩১)। জাহেলী যুগে কিছু লোক সন্তানদেরকে বিশেষ করে … Continue reading

Posted in দরিদ্রতার ভয়ে তোমাদের সন্তানদের হত্যা ক‌রো না। | Tagged , | Leave a comment