বর্তমানে সুন্নাত গণ্য করে আতর বা সুগন্ধি ব্যবহারে যেরূপ বাড়াবাড়ি ও অপব্যয় করা হচ্ছে, তা শরী‘আতসম্মত কি?


আতর ব্যবহার করা রাসূল (ছাঃ)-এর অভ্যাসগত সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন,  ‘দুনিয়ার মধ্যে আমার কাছে স্ত্রী ও আতরকে প্রিয় করা হয়েছে’ (আহমাদ হা/১২৩১৫; নাসাঈ হা/৩৯৩৯, ছহীহুল জামে‘ হা/৩১২৪)। এক্ষণে বাড়াবাড়ির বিষয়টি আপেক্ষিক। সম্পদশালী ব্যক্তি যদি উন্নতমানের সুগন্ধি অধিক অর্থ ব্যয়ে ক্রয় করেন, তবে সেটি অপব্যয়ের শামিল হবে না। কিন্তু উক্ত সুগন্ধি যদি মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্তের কেউ ক্রয় করে, তবে তা অপচয়ের শামিল হবে (উছায়মীন, লিকাউল বাবিল মাফতূহ ৮/২৪)। কারণ এক্ষেত্রে সাধারণতঃ গর্ব-অহংকার ও সামাজিক মর্যাদা প্রকাশার্থে এটি করা হয়। অতএব বাড়াবাড়ি পরিত্যাগ করে সুন্নাত অনুসরণের নেকী অর্জনের লক্ষ্যে আতর ব্যবহার করা উচিৎ।

Advertisements
Posted in সুগন্ধি ব্যবহারে যেরূপ বাড়াবাড়ি ও অপব্যয় করা হচ্ছে তা শরী‘আতসম্মত কি? | Tagged ,

মাগরিবের ছালাতের এক ঘণ্টার বেশী সময় পর এশার ওয়াক্ত শুরু হয়। এক্ষণে অন্যান্য ওয়াক্তের মত মাগরিবও কি এশার পূর্ব পর্যন্ত আদায় করা যাবে?


আদায় করা যাবে। তবে সেটি সুন্নাতের বিরোধী হবে। কেননা সূর্যাস্তের সাথে সাথেই রাসূল (ছাঃ) মাগরিবের ছালাত আদায় করতেন (নাসাঈ হা/৫২৭)। রাফে‘ বিন খাদীজ (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে মাগরিবের ছালাত আদায় করতাম। অতঃপর আমাদের কেউ ফিরে যাওয়ার সময় তীর পড়ার স্থান দেখতে পেত (মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/৫৯৬)। অতএব সূর্যাস্তের পরপরই মাগরিবের ছালাত আদায় করা কর্তব্য।

Posted in মাগরিবও কি এশার পূর্ব পর্যন্ত আদায় করা যাবে অন্যান্য ওয়াক্তের মত? | Tagged

আলী (রাঃ) কোন এক যুদ্ধে তীরবিদ্ধ হ’লে ৭/৮ জন মিলে চেষ্টা করে তা বের করতে অক্ষম হন। তখন তিনি বললেন, আমি ছালাতে দাঁড়ালে তোমরা তীরটি বের করে নিয়ো। অতঃপর ছালাত অবস্থায় তার পা থেকে উক্ত তীর বের করে নিলেও তিনি তা অনুভব করতে পারেননি’। এ ঘটনার কোন সত্যতা আছে কি?


ঘটনাটি বানোয়াট কাহিনী মাত্র। শী‘আদের বইসমূহে কাহিনীটি সনদবিহীনভাবে বর্ণিত হয়েছে (মুহাম্মাদ ছালেহ আল-হুসাইনী, আল-মানাক্বিবুল মুরতাযাবিইয়াহ পৃ. ৩৬৪)। যা অগ্রহণযোগ্য।

Posted in তীরবিদ্ধ ছাহাবা নামাজে দাড়ানোর পরে তীর বের করে নিলেও অনুভব করতে পারেননি কি? | Tagged ,

স্বামী-স্ত্রী একত্রে ফরয ছালাত আদায়কালে স্ত্রী ইমামতি করতে বা ইক্বামত দিতে পারবে কি?


ইমামতি করবে না বা ইক্বামত দিবে না। এ ব্যাপারে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল বিদ্বান একমত যে, নারীরা ৎংরুষের ইমামতি করতে পারবে না (নববী, আল-মাজমূ‘ ৪/২৫৫; ইবনু কুদামা, আল-মুগনী ২/১৪৬; ইবনু হাযম, মুহাল্লা ২/১৬৭)। আল্লাহ বলেন, ‘পুরুষেরা নারীদের উপর কর্তৃত্বশীল’ (নিসা ৪/৩৪)। তাছাড়া এ ব্যাপারে রাসূল (ছাঃ)-এর কোন নির্দেশনা এবং তাঁর ও ছাহাবায়ে কেরামের যুগে এর কোন নযীর নেই। আর এটাই স্বতঃসিদ্ধ যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খোলাফায়ে রাশেদীনের সময় যা দ্বীন ছিল না, পরে তা দ্বীন হিসাবে গৃহীত হবে না। বরং তা বিদ‘আত হবে (আহমাদ হা/১৭১৮৪; নাসাঈ, দারেমী হা/৯৫; মিশকাত হা/১৬৫)। নারীরা নিজেরা ছালাত আদায় করলে ইক্বামত দিবে। আর স্বামীর পিছনে ছালাতের সময় স্বামীই ইক্বামত দিবেন (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৬/৮৪; ভূপালী, আর-রওযাতুন নাদিইয়াহ ১/৩২২ পৃঃ)

Posted in স্বামী-স্ত্রী ফরয ছালাত আদায়কালে স্ত্রী ইমামতি করতে পারবে কি? | Tagged ,

হে আল্লাহ আপনি আমাকে মিসকীন বেশে দুনিয়াতে বাঁচিয়ে রাখুন এবং মিসকীনদের সাথে পুনরুত্থান ঘটান’ মর্মে বর্ণিত দো‘আটি রাসূল (ছাঃ) সর্বদা করতেন কি?


সর্বদা নয়, মাঝে-মধ্যে করতেন (ইবনু মাজাহ হা/৪১২৬; ছহীহাহ হা/৩০৮; মিশকাত হা/৫২৪৪)। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, এর অর্থ হ’ল ‘আমাকে ভীত ও বিনয়ী হিসাবে বাঁচিয়ে রাখুন’ (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/৩২৬, ৩৫৭)। ইমাম বায়হাক্বী (রহঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) ঐ দীনতা কামনা করতেন না, যার অর্থ দরিদ্রতা। বরং তিনি ঐ দীনতা কামনা করতেন, যার অর্থ বিনয় ও নম্রতা (ইবনু হাজার, তালখীছুল হাবীর হা/১৪১৫-এর আলোচনা)

Posted in রাসূল (ছাঃ) মিসকীনের দো’আ সর্বদা করতেন কি? | Tagged

দুনিয়াতে কতজন ছাহাবী জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছেন?


দুনিয়াতে জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত ছাহাবীদের সংখ্যা অনেক। তন্মধ্যে ১- ১০ জন ‘আশারায়ে মুবাশশারাহ’ নামে খ্যাত। তাঁরা হ’লেন, (১) আবুবকর ছিদ্দীক (২) ওমর (৩) ওছমান (৪) আলী (৫) ত্বালহা (৬) যুবায়ের (৭) আব্দুর রহমান বিন ‘আওফ (৮) সা‘দ বিন আবু ওয়াকক্বাছ (৯) সাঈদ ইবনু যায়েদ এবং (১০) আবু ওবায়দাহ ইবনুল জার্রাহ (তিরমিযী হা/৩৭৪৭; মিশকাত হা/৬১০৯)। ২- ২য় হিজরীতে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ৩১৩ জন ছাহাবী (বুখারী হা/৩৯৮৩)। (৩) ৬ষ্ঠ হিজরীতে হোদায়বিয়ার সন্ধির পূর্বে বায়‘আতে রিযওয়ানে অংশগ্রহণকারী ১৪০০ ছাহাবীর একজন বাদে (মুসলিম হা/২৪৯৬, ২৭৮০)। (৪) রোমকদের রাজধানী (কনস্টান্টিনোপল) জয়ের জন্য প্রথম অভিযানকারীগণ (বুখারী হা/২৯২৪)। যদি তারা পরে মুরতাদ না হয়। ৫২ হিজরীতে এই যুদ্ধ করেছিলেন আমীর মু‘আবিয়া ও তাঁর পুত্র ইয়াযীদ এবং বহু জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ ছাহাবীগণ (, ফাৎহুল বারী)। (৫) এতদ্ব্যতীত নবীপত্নীগণ সহ নবী পরিবার (মুসলিম হা/২৪২৪, ২৪০৮; আহযাব ৩৩/৩৩; সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) ৩য় মুদ্রণ ৭৫৯ পৃ.)

(৬) এছাড়া আরো যেসব ছাহাবী বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষিতে রাসূল (ছাঃ)-এর মাধ্যমে জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছেন তাদের মাঝে আছেন (১) উক্কাশাহ বিন মিহছান (রাঃ) (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৫২৯৬)। (২) ইয়াসির (৩) ‘আম্মার (৪) সুমাইয়া (হাকেম হা/৫৬৬৬) (৫) বেলাল বিন রাবাহ (তিরমিযী হা/৩৬৮৯) (৬) উছায়রিম ‘আমর বিন ছাবেত (আহমাদ হা/২৩৬৮৪) (৭) ছাবেত বিন ক্বায়েস (মুসলিম হা/১১৯) (৮) হারেছাহ বিন সুরাক্বাহ (বুখারী হা/২৮০৯) (৯) হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (মুসলিম হা/১৭৮৮) (১০) যায়েদ বিন হারেছাহ (১১) আব্দুল্লাহ বিন রওয়াহা (আহমাদ হা/২২৬০৪; ইবনু হিববান হা/৭০৪৮) (১২) সা‘দ বিন মু‘আয (মুসলিম হা/২৪৬৮) (১৩) সালমান ফারেসী (তিরমিযী হা/৩৭৯৭)(১৪) আব্দুল্লাহ বিন সালাম (বুখারী হা/৩৮১২😉 (১৫) জাবের (রাঃ)-এর পিতা আব্দুল্লাহ বিন ‘আমর (তিরমিযী হা/৩০১০) (১৬) আবুদ্দাহদাহ আনছারী (মুসলিম হা/৯৬৫) (১৭) রুমায়ছা বিনতে মিলহান (বুখারী হা/৩৬৭৯) (১৮) উম্মে যুমার হাবাশীয়া (বুখারী হা/৫৬৫২; মুসলিম হা/২৫৭৬) প্রমুখ।

Posted in জান্নাতের সুসংবাদ দুনিয়াতে কতজন ছাহাবী পেয়েছেন? | Tagged , ,

‘আল্লাহুম্মা ছল্লে ‘আলা মুহাম্মাদ…’ মর্মে বর্ণিত দো‘আটি জুম‘আর দিন পাঠ করায় প্রভূত নেকী হয় কি? বিশেষতঃ এদিন আছরের পর ৮০ বার পাঠ করলে ৮০ বছরের গোনাহ ঝরে যায় এবং ৮০ বছর ইবাদতের নেকী লিপিবদ্ধ হয়। একথার কোন সত্যতা আছে কি?


উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছগুলির কোনটি জাল কোনটি যঈফ (ইবনু হাজার, নাতাইজুল আফকার ৫/৫৬; ইবনুল জাওযী, আল-আহাদীছুল ওয়াহিয়াহ হা/৭৯৬; সিলসিলা যঈফাহ হা/২১৫, ৩৮০৪)

Posted in আল্লাহুম্মা ছল্লে ‘আলা মুহাম্মাদ...’ দো‘আটির ফযিলাত কি? | Tagged

হজ্জব্রত পালন শেষে মহিলাদের ৪০ দিন গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করতে হবে এরূপ কোন বিধান আছে কি?


শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি নেই।

Posted in হজ্জ শেষে মহিলাদের ৪০ দিন গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করতে হবে কি? | Tagged

সুন্নাতে খাৎনা দেওয়ার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বয়স কত?


সুন্নাতে খাৎনা করার নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। তবে সাবালক হওয়ার পূর্বে করাই উত্তম (নববী, আল-মাজমূ‘ ১/৩০৩)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, খাৎনা যখন ইচ্ছা করা যায়। তবে সাবালক হওয়ার পূর্বেই করা উচিৎ যেমনটি আরবরা করে থাকে… (আল-ফাতাওয়াল কুবরা ১/২৭৫)। ইবনুল মুনযির বলেন, খাৎনা করার সময় সম্পর্কে এমন কোন সংবাদ নেই যার দিকে ফিরে যাওয়া যায় এবং এমন কোন সুন্নাত নেই যার উপর আমল করা যায় (আল-ইশরাফ ৩/৪২৪)

উল্লেখ্য, রাসূল (ছাঃ) সপ্তম দিনে হাসান ও হোসাইন (রাঃ)-এর খাৎনা করেছিলেন মর্মে যে হাদীছ এবং সপ্তম দিনে খাৎনা করা সুন্নাত মর্মে যে আছার বর্ণিত হয়েছে, তা যঈফ (সিলসিলা যঈফাহ হা/৫৪৩২; ইরওয়াউল গালীল ৪/৩৮৩)

Posted in সুন্নাতে খাৎনা দেওয়ার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বয়স কত? | Tagged

অনেক সময় মসজিদে ভীড়ের কারণে এমন কাতারে দাঁড়াতে হয়, যার মাঝখানে পিলার রয়েছে। বাধ্যগত অবস্থায় এভাবে দাঁড়ালে ছালাত সিদ্ধ হবে কি?


সাধারণভাবে জামা‘আতে ছালাত আদায় করার সময় দুই পিলারের মাঝে কাতার করা যাবে না। কারণ এতে কাতারে বিছিন্নতা আসে (ইবনু মাজাহ হা/১০০২;  ছহীহাহ হা/৩৩৫)। তবে ভীড়ের কারণে বাধ্যগত অবস্থায় এভাবে দাঁড়ালে ছালাত সিদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ। আব্দুল হামীদ বিন মাহমূদ (রহঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, আমরা জনৈক আমীরের পেছনে ছালাত আদায় করলাম। এসময় ভীড় এত বেশী হ’ল যে, আমরা বাধ্য হয়ে দুই খুঁটির মাঝখানে ছালাতে দাঁড়ালাম। যখন ছালাত শেষ করলাম, তখন আনাস (রাঃ) বললেন, আমরা রাসূল (ছাঃ)-এর সময়ে (এভাবে দাঁড়ানো) এড়িয়ে যেতাম’ (তিরমিযী হা/২২৯, সনদ ছহীহ)

Posted in মসজিদে দুই পিলারের মাঝখানের কাতারে ছালাত হবে কি? | Tagged , ,

আমাদের ইমাম ছাহেব খুৎবায় বলেন, আব্দুর রহমান, আব্দুল খালেক এসব নামে আল্লাহর গুণাবলী প্রকাশ পাওয়ায় এরূপ নাম রাখা জায়েয নয়। একথা সঠিক কি?


এরূপ কথা ভিত্তিহীন। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয় নাম হ’ল আব্দুল্লাহ এবং আব্দুর রহমান (মুসলিম হা/২১৩২; মিশকাত হা/৪৭৫২)। অতএব ‘আবদ’ যুক্ত নাম রাখাই উত্তম। এতে বান্দার বার বার স্মরণ হবে যে, সে আল্লাহর দাস। তবে কেবল রহমান বা খালেক বলে কাউকে আহবান করা ঠিক নয়। কারণ তা আল্লাহর ছিফাতী নাম (বিস্তারিত দ্রঃ ‘মাসায়েলে কুরবানী ও আক্বীক্বা’ বই)

Posted in আব্দুর রহমান আব্দুল খালেক এসব নাম রাখা যাবে কি? | Tagged ,

জনৈক পীর ছাহেব বলেন, সূরা হূদের ২নং আয়াতে ‘ইল্লাল্লাহ’ শব্দটি রয়েছে। তাই আমরা ‘ইল্লাল্লাহ’ যিকির করি। একথার সত্যতা আছে কি?


উক্ত আয়াতের অর্থ : ‘তোমরা আল্লাহ ব্যতীত কারু ইবাদত করো না। নিশ্চয়ই আমি তোমাদের জন্য তাঁর পক্ষ হ’তে সতর্ককারী ও সুসংবাদদাতা’ (হূদ ১১/০২)। উক্ত আয়াতে ‘ইল্লাল্লাহ’ বলে যিকির করতে বলা হয়নি। বরং আল্লাহ ব্যতীত অন্যের ইবাদত করতে নিষেধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এটি কালেমায়ে ত্বইয়েবার দ্বিতীয় অংশ, যার অর্থ ‘আল্লাহ ব্যতীত’। এটি অসম্পূর্ণ ও অর্থহীন একটি বাক্যাংশ। মূলতঃ ‘আল্লাহু’ ‘আল্লাহু’ বা ‘ইল্লাল্লাহ’ শব্দে কোন যিক্র নেই। উক্ত মর্মে যে হাদীছটি রয়েছে তার অর্থ হ’ল ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ (আহমাদ হা/১৩৮৬০; হাকেম হা/৮৫১২; মিশকাত হা/৫৫১৬; ছহীহাহ হা/৩০১৬)। আলবানী বলেন, ‘শুধু আল্লাহ শব্দে যিকর করা বিদ‘আত। সুন্নাহতে যার কোন ভিত্তি নেই’ (মিশকাত হা/ ১৫২৭-এর ১ নং টীকা)। সর্বোত্তম যিক্র হচ্ছে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ (ইবনু মাজাহ হা/৩৮০০; মিশকাত হা/২৩০৬)।  

আর আল্লাহর যিকর করতে হবে নীরবে (আ‘রাফ ৭/২০৫; আ‘রাফ ৭/৫৫)। অনেকে বলেন, ‘লা-ইলাহা’ আমার অন্তরে আছে আর ‘ইল্লাল্লাহ’ মুখে প্রকাশ করি। এটি ঠিক নয়। বরং অন্তরে ও মুখে একই যিকর হবে।

Posted in ইল্লাল্লাহ’ যিকির করার সত্যতা আছে কি? | Tagged ,

এশার পর দাওয়াতী কাজ, পড়াশুনা ইত্যাদি শেষ করতে আমার রাত ২-টা বেজে যায়। ফলে সকাল ৭-৮ টার আগে ঘুম ভাঙ্গে না। আমি শুনেছি সকালে যখনই ঘুম ভাঙবে তখন ফজরের ছালাত আদায় করলেই যথেষ্ট হবে। আমি সেটাই করি। এক্ষণে এটা নিয়মিত করা জায়েয হবে কি?


এরূপ কাজ প্রতিদিন করার কোনই সুযোগ নেই। বরং দাওয়াতী কাজ ও পড়াশুনার জন্য অন্য সময় নির্ধারণ অথবা পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে নির্ধারিত সময়ে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘মুমিনদের উপরে ‘ছালাত’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে’ (নিসা ৪/১০৩)।  রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আযান শুনল অথচ মসজিদে আসল না, তার ছালাত হবে না (হাকেম হা/৮৯৩; মিশকাত হা/১০৭৭; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৩০০)। দেরীতে ছালাত আদায়ের বিষয়টি সাময়িকভাবে ভুলে যাওয়া কিংবা ঘুমিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ইচ্ছাকৃত ও নিয়মিতভাবে এরূপ করলে তা কুফরীর পর্যায়ভুক্ত গোনাহ হিসাবে গণ্য হবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১০/৩৯০; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১২৪/১৩৯)

Posted in ফজরের ছালাত নিয়মিত ভাবে দেরি করে পড়া জায়েয হবে কি? | Tagged

মাথা ও পা বিহীন প্লাস্টিক ডল দিয়ে গার্মেন্টস ব্যবসা করা যাবে কি?


এগুলি মূর্তিপূজার প্রতি উৎসাহ সৃষ্টি করে। অতএব এগুলি থেকে দূরে থাকতে হবে। তাছাড়া বর্তমানে প্ল­াষ্টিক বা অন্য বস্ত্তর দ্বারা পূর্ণদেহী পুতুল তৈরী করা হয়। যার মুখ, চোখ, নাক, কান সহ অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হুবহু মানুষের বা প্রাণীর আকৃতির ন্যায়। এ ধরনের পুতুল অবশ্যই বর্জনীয়।

Posted in মাথা ও পা বিহীন প্লাস্টিক ডল দিয়ে গার্মেন্টস ব্যবসা করা যাবে কি? | Tagged , ,

ওলী ছাড়া বিবাহের পর ১টি সন্তান হয়েছে। সন্তান জন্মের পর মেয়ের পিতা-মাতা উক্ত বিবাহ মেনে নিয়েছেন। এক্ষণে ঐ সন্তানটি কি জারজ হিসাবে গণ্য হবে? সে কি পিতা-মাতার সম্পদের অংশীদার হবে?


যদি কেউ সাক্ষী ও ওলী ব্যতীত গোপনে কাউকে বিবাহ করে, উক্ত বিবাহ বাতিল হওয়ার ব্যাপারে ওলামায়ে কেরাম একমত। তবে যদি তারা একান্তই বিবাহ জায়েয হয়েছে মনে করে সহবাস করে, সেক্ষেত্রে তাদের একত্রবাস ‘সন্দেহপূর্ণ’ বিবেচিত হবে। এমতাবস্থায় সন্তান পিতার সাথে সম্পৃক্ত হবে এবং পিতার সম্পদে ওয়ারিছ হবে। তবে এরূপ সম্পর্কের জন্য পিতা-মাতা উভয়ে ইসলামী আদালত কর্তৃক শাস্তিযোগ্য অপরাধী হিসাবে গণ্য হবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩২/১০৩)। এক্ষণে উভয়কে কৃত অপরাধের জন্য একনিষ্ঠ চিত্তে তওবা করতে হবে এবং নতুনভাবে নিয়মমাফিক তাদের বিবাহ পড়াতে হবে।

Posted in অ‌ভিভাবক বা ওলী না থাক‌লে করণীয়!, বিবাহ উকীল বাবা’র মাধ্যমে পড়ানো যায় কি?, বিবাহ ওলী ছাড়া করলে তাদের সন্তান কি জারজ হিসেবে গন্য হবে?, বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য কি কি শর্ত প্রযোজ্য?, বিবাহ শুদ্ধ হয়নি জানতে পারলাম. এখন বৃদ্ধ বয়সে করণীয় কি?, বিবাহে সম্মতি না থাকলে বিবাহ বলে গন্য হবে কি? | Tagged ,

১টি ছাগল কুরবানী দিলে যে গোশত পাওয়া যায়, তা বড় পরিবারের জন্য যথেষ্ট নয়। এক্ষণে প্রয়োজন মেটানোর জন্য ঈদের পূর্বে গোশত ক্রয় করে রাখা জায়েয হবে কি?


প্রশ্নের সাথে কুরবানীর কোন সম্পর্ক নেই। কারণ এখানে প্রশ্ন হ’ল গোশত বেশী পাওয়ার জন্য। পক্ষান্তরে কুরবানী হ’ল আল্লাহর নৈকট্য হাছিলের মাধ্যম। অতএব সামর্থ্য থাকলে বড় পরিবারের জন্য বড় পশু বা একাধিক পশু কুরবানী দিবে। আল্লাহ বলেন, ‘কুরবানীর পশুর গোশত বা রক্ত আল্লাহর নিকটে পৌঁছে না। বরং তাঁর নিকটে পৌঁছে কেবলমাত্র তোমাদের ‘তাক্বওয়া’ বা আল্লাহভীতি’ (হজ্জ ২২/৩৭)। এখানে গোশতে ঘাটতি পড়ার চিন্তা করা উচিত হবে না। কারণ আল্লাহ কেবল মুত্তাক্বীদের কুরবানী কবুল করে থাকেন (মায়েদাহ ৫/২৭)

Posted in কুরবানী ঈদের পূর্বে গোশত ক্রয় করে রাখা জায়েয হবে কি? | Tagged , , ,

বেকার স্বামীর জন্য স্ত্রীর উপার্জন থেকে পরিবার পরিচালনার যাবতীয় ব্যয় করা জায়েয হবে কি?


স্ত্রীর সম্মতি থাকলে জায়েয হবে। স্ত্রী স্বামীর সংসারে খরচ করলে দ্বিগুণ নেকী পাবেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘মিসকীনকে ছাদাক্বা দিলে একটি ছাদাক্বা হয়। কিন্তু সে যদি রক্ত সম্পর্কীয় নিকটাত্মীয় হয়, তবে নেকী দ্বিগুণ হয়। এক-ছাদাক্বা এবং দুই-আত্মীয়তা (আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১৯৩৯)। যয়নব (রাঃ) স্বীয় স্বামী আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)-কে যাকাতের অর্থ দিতে চাইলে রাসূল (ছাঃ) তাকে অনুমতি দিয়ে বলেন, এতে দ্বিগুণ নেকী রয়েছে। (১) ছাদাক্বার নেকী (২) আত্মীয়তা সম্পর্ক বজায় রাখার নেকী’ (বুখারী হা/১৪৬৬; মুসলিম হা/১০০০; মিশকাত হা/১৯৩৪-৩৫)

Posted in স্ত্রীর উপার্জন থেকে পরিবার পরিচালনার ব্যয় করা জায়েয হবে কি? | Tagged , ,

আমি পূর্ণ পর্দার সাথে মেডিকেলে পড়াশুনা করি। দ্বীনদার হওয়া সত্ত্বেও আমার পিতা আমাকে নেকাব ব্যবহারে নিষেধ করেন। শুনেছি নেকাব ব্যবহার করা নারীর জন্য আবশ্যক নয়। এক্ষণে আমার করণীয় কি?


নারীর জন্য নেকাব ব্যবহার করা ওয়াজিব। আল্লাহ বলেন, ‘মহিলারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে, তবে যা সাধারণভাবে প্রকাশ পায়, তা ব্যতীত’ (নূর ২৪/৩১)। নারী সৌন্দর্যের কেন্দ্রস্থল হ’ল তার মুখমন্ডল। সেকারণ নিষেধ থাকা সত্ত্বেও হজ্জের সময়ও রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর স্ত্রীগণ বেগানা পুরুষ দেখলে মুখ ঢাকতেন (বায়হাকী, সুনানুল কুবরা হা/৮৮৩২; ইরওয়া হা/১০২৩; মিশকাত হা/২৬৯০, সনদ ছহীহ)। অতএব পিতাকে বুঝিয়ে নেকাব পরিধান করে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে হবে।

Posted in নেকাব ব্যবহার করা নারীর জন্য আবশ্যক কি? | Tagged ,

অল্পমূল্যে অনেক ভালো ভালো কোম্পানীর ব্যবহৃত মোবাইল ক্রয়ের স্থান রয়েছে, যার অধিকাংশই চুরিকৃত বলে অনুমান করা হয়। এসব মোবাইল ক্রয় করা যাবে কি?


নিশ্চিতভাবে জানা গেলে চুরিকৃত বস্ত্ত ক্রয় করা যাবে না। এটা অন্যায় কাজে সহযোগিতার শামিল। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা পাপ ও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো না’ (সূরা মায়েদা ৫/২; শায়খ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৯/৯২)

Posted in চুরিকৃত মোবাইল অল্পমূল্যে ক্রয় করা যাবে কি? | Tagged ,

বিতরের কুনূতে হাত উত্তোলন করা যাবে কি?


যাবে। হযরত ওমর, আব্দুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ, আনাস, আবু হুরায়রা (রাঃ) প্রমুখ ছাহাবী থেকে কুনূতে বুক বরাবর হাত উঠিয়ে দো‘আ করা প্রমাণিত আছে। মুহাদ্দিছগণ এর দ্বারা কুনূতে বিতর বুঝেছেন (বায়হাক্বী ২/২১১-১২, মির‘আত ৪/৩০০; তুহফাতুল আহওয়াযী ২/৫৬৭, ইরওয়াউল গালীল ২/১৮১)। তাবেঈ বিদ্বান আব্দুল্লাহ বিন মুবারক বিতর ছালাতে হাত উঠাতেন এবং দো‘আ করতেন (বায়হাকী, আস-সুনানুল কুবরা হা/৩১৫২)। ইবরাহীম নাখঈ বিতরের কুনূতে হাত উঠিয়ে দো‘আ করতেন (মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক্ব হা/৫০০১)। ইমাম আহমাদকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হ’লে তিনি বলেন, কুনূতে নাযেলার উপর ক্বিয়াস করে কুনূতে রাতেবাতেও হাত উঠিয়ে দো‘আ করা যায় (মারওয়াযী, মুখতাছার কিয়ামুল লায়ল ১/৩১৮)। শায়খ বিন বায বলেন, বিতরের কুনূতে হাত উত্তোলন করা শরী‘আত সম্মত। কেননা তা কুনূতে নাযেলার মতই (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩০/৫১)। উছায়মীন বলেন, ওমর (রাঃ) হ’তে ছহীহ সূত্রে বিতরের ছালাতে হাত উঠানোর বর্ণনা রয়েছে (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৪/৮১)। ইমাম আবু ইউসুফ (রহঃ) বলেন, বিতরের কুনূতের সময় দু’হাতের তালু আসমানের দিকে বুক বরাবর উঁচু থাকবে। ইমাম ত্বাহাবী ও ইমাম কারখীও এটাকে পসন্দ করেছেন (মির‘আত ২/২১৯; , ৪/৩০০ পৃঃ)

Posted in প্রশ্নোত্তর | Tagged ,

জনৈক আলেম বলেন, আলেমদের সাথে তর্ক- বিতর্ক করলে জাহান্নামে যেতে হবে। একথার সত্যতা আছে কি?


উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। তবে হাদীছে এভাবে বর্ণিত হয়েছে, রাসূল (ছাঃ) এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ইলম শিখে এজন্য যে, তার দ্বারা সে আলেমদের সাথে বিতর্ক করবে ও মূর্খদের সঙ্গে ঝগড়া করবে কিংবা মানুষকে তার দিকে আকৃষ্ট করবে, আল্লাহ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন (তিরমিযী হা/৩১৩৮, মিশকাত হা/২২৫)। আর প্রয়োজনে শারঈ বিষয়ে দলীলের ভিত্তিতে শালীনতা বজায় রেখে তর্ক-বিতর্ক করা যায়। আল্লাহ বলেন, ‘তাদের সাথে বিতর্ক কর উত্তম পন্থায়’ (নাহল ১৬/১২৫)

Posted in আলেমদের সাথে তর্ক- বিতর্ক করলে জাহান্নামে যেতে হবে কি? | Tagged ,

ব্যাংকে যদি কারো ৪ লক্ষ টাকা জমা থাকে এবং প্রতি মাসে সে ১০ হাযার টাকা করে জমা করতে থাকে। তবে প্রতিবছর সে কিভাবে যাকাত দিবে? কারণ প্রতিমাসেই তো তার টাকা বৃদ্ধি পাচ্ছে।


এক্ষেত্রে প্রতিবছর নির্দিষ্ট একটি সময়ে জমাকৃত পুরো অর্থের উপর যাকাত বের করলেই যথেষ্ট হবে। সেক্ষেত্রে কিছু অর্থের উপর বছর পূর্ণ না হ’লেও অসুবিধা নেই। বরং তা অগ্রিম যাকাত হিসাবে গণ্য হবে। যাকাত দানকারীর জন্য এটাই নিরাপদ ও প্রশান্তিদায়ক পদ্ধতি (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৯/২৮০)

Posted in ব্যাংকে জমাকৃত টাকার যাকাত দেবে কিভাবে? | Tagged

শেষ যামানায় ঈসা (আঃ) পৃথিবীতে আগমন করে কত বছর অবস্থান করবেন?


ঈসা (আঃ) পৃথিবীতে আগমন করে চল্লিশ বছর অবস্থান করবেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, আমার ও তাঁর অর্থাৎ ঈসা (আঃ)-এর মাঝে কোন নবী নেই। …তিনি পৃথিবীতে চল্লিশ বছর অবস্থান করবেন। অতঃপর মৃত্যুবরণ করবেন এবং মুসলিমরা তাঁর জানাযায় অংশগ্রহণ করবে’ (আহমাদ হা/২৪৫১১; আবুদাঊদ হা/৪৩২৪; ছহীহাহ হা/২১৮২)। তবে কোন কোন বিদ্বান মুসলিমের একটি বর্ণনার ভিত্তিতে ঈসা (আঃ)-এর অবস্থানকালীন সময় সাত বছর বলেছেন। যেখানে বলা হয়েছে, ঈসা (আঃ) দাজ্জালকে হত্যা করার পর লোকেরা সাত বছর অবস্থান করবে (মুসলিম হা/২৯৪০)। কিন্তু এখানে হাদীছটির অর্থ হবে, ঈসা (আঃ)-এর মৃত্যুর পর মানুষ সাত বছর অবস্থান করবে, যা মুসনাদে আহমাদের একটি বর্ণনা থেকে স্পষ্টভাবে বুঝা যায়। যেখানে বলা হয়েছে ثُمَّ يَلْبَثُ النَّاسُ بَعْدَهُ سِنِيْنَ سَبْعًا ‘তার পরে লোকেরা সাত বছর অবস্থান করবে’ (আহমাদ হা/৬৫৫৫)

Posted in ঈসা (আঃ) পৃথিবীতে আগমন করে কত বছর অবস্থান করবেন? | Tagged ,

জমাকৃত বায়তুল মাল থেকে টাকা উত্তোলন করে গরীব আত্মীয়-স্বজনকে দেওয়া বা তাদের দেওয়ার জন্য সুফারিশ করা যাবে কি?


আত্মীয় হৌক বা অনাত্মীয় হৌক প্রকৃত হকদার হ’লে তাকে দেওয়া যাবে এবং তাকে দেওয়ার জন্য সুফারিশ করা যাবে। আবু মূসা আশ‘আরী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট কেউ কিছু চাইলে বা প্রয়োজনীয় কিছু চাওয়া হ’লে তিনি বলতেন, তোমরা সুফারিশ কর ছওয়াব প্রাপ্ত হবে। আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা তাঁর নবীর মুখে চূড়ান্ত করেন (বুখারী হা/১৪৩২)

Posted in বায়তুল মাল থেকে গরীদের টাকা দেওয়া যাবে কি? | Tagged

আমার ছোট ভাই হিন্দুর মেয়েকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করে ইসলামী বিধি মোতাবেক বিবাহ করেছে। এক্ষণে মেয়ের পরিবারের সাথে আমাদের পরিবারের অন্যান্য হিন্দু সদস্যদের সাথে কিরূপ আত্মীয়তা সম্পর্ক বজায় রাখা উচিত?


তাদের সাথে সদাচরণ করতে হবে। তাদের সাথে উঠা-বসা, দাওয়াত আদান-প্রদান করা যাবে। তবে তাদের যবেহকৃত পশু-পাখি খাওয়া যাবে না (আন‘আম ৬/১২১) এবং তাদের ধর্মীয় উৎসবে যোগদান করা যাবে না (ফুরকান ৭২; আবূদাঊদ হা/৪০৩১; মিশকাত হা/৪৩৪৭)

Posted in হিন্দু আত্মীয়র সাথে কিরূপ আত্মীয়তা সম্পর্ক বজায় রাখা উচিত? | Tagged ,

রাসূল (ছাঃ) জিন জাতির মাঝে দ্বীন প্রচার করেছিলেন কি?


রাসূল (ছাঃ) জিন জাতির নিকটও ইসলাম প্রচার করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘হে জিন ও মানব সম্প্রদায়! তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে পয়গম্বরগণ আগমন করেননি, যাঁরা তোমাদেরকে আমার বিধানসমূহ বর্ণনা করতেন এবং তোমাদেরকে আজকের এ দিনে সাক্ষাতের ব্যাপারে ভীতি প্রদর্শন করতেন? (আন‘আম ৬/১৩০)। মুহাম্মাদ (ছাঃ) মানব ও জিন সহ সমস্ত সৃষ্টির নিকটে নবী হিসাবে প্রেরিত হয়েছেন (মুসলিম হা/৫২৩; তিরমিযী হা/১৫৫৩; মিশকাত হা/৫৭৪৮)

মুমিন জিনগণ রাসূল (ছাঃ) সহ সকল নবী-রাসূলের প্রতি বিশ্বাস করতেন। আল্লাহ বলেন, তারা বলল, হে আমাদের সম্প্রদায়! আমরা এমন এক কিতাব শুনেছি, যা মূসার পরে নাযিল হয়েছে। যা পূর্ববর্তী কিতাব সমূহের সত্যায়ন করে। যা সত্যের দিকে ও সরল পথের দিকে পরিচালিত করে (আহক্বাফ ৪৬/৩০)। এছাড়া জিনেরা রাসূল (ছাঃ)-এর কাছে আসতেন। যেমন আল্লাহ বলেন, জিনদের একটি দল তার কাছে এসে কুরআন শ্রবণ করে বলেছিল যে, আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শ্রবণ করেছি (জিন ৭২/১)

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, ‘একবার আমরা সবাই মক্কার বাইরে রাত্রিকালে রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে ছিলাম। কিন্তু এক সময় তিনি হারিয়ে গেলেন। …(অবশেষে তাকে খুঁজে পেলে) তিনি আমাদের বললেন, জিনদের একজন প্রতিনিধি আমাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। আমি গিয়ে তাদেরকে কুরআন শুনালাম’। …অতঃপর বললেন, তোমরা শুকনা হাড্ডি ও গোবর ইস্তিঞ্জাকালে ব্যবহার করো না। এগুলি তোমাদের ভাই জিনদের খাদ্য’ (মুসলিম হা/৪৫০)

Posted in জিন জাতির মাঝে রাসূল (ছাঃ) দ্বীন প্রচার করেছিলেন কি? | Tagged ,

শালা-শ্যালিকা, তাদের স্বামী বা স্ত্রী ও সন্তানেরা কোন পর্যায়ের আত্মীয়? তাদের সাথে সাধারণ মুসলিম ভাইয়ের মত আচরণ করলেই যথেষ্ট হবে কি?


উপরোক্ত ব্যক্তিরা বৈবাহিক সূত্রে আত্মীয়। আত্মীয় তিন ধরনের। পিতৃ বংশগত, শ্বশুর বংশগত বা বৈবাহিক সূত্রের ও দুগ্ধসম্পর্কীয়। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘তিনিই মানুষকে পানি হ’তে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি তার বংশগত ও বিবাহগত সম্পর্ক নির্ধারণ করেছেন’ (ফুরক্বান ২৫/৫৪)। এছাড়া দুগ্ধসম্পর্কীয় আত্মীয়ও রয়েছে। যারা বংশগত আত্মীয়ের ন্যায় (নিসা ৪/২৩)। শ্যালক-শ্যালিকা হ’ল শশুর বংশগত বা বৈবাহিক সূত্রের আত্মীয়দের অন্তর্ভুক্ত। অনুরূপ তাদের স্ত্রী ও স্বামীরাও। তাই তাদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। বিনা কারণে তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না (বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/৪৯২২)। তবে দ্বীনী কারণে সাময়িকভাবে কাউকে এড়িয়ে যাওয়া যাবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৭০১)

Posted in শালা-শ্যালিকা তাদের স্বামী বা স্ত্রী ও সন্তানেরা কোন পর্যায়ের আত্মীয়? | Tagged

কোন কোন আলেম জিহাদের গুরুত্ব তুলে ধরে এটাকে ইসলামের ৬ষ্ঠ রুকন হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। এটা সঠিক কি?


আরকানুল ইসলাম ৫টি (বুখারী হা/৮)। এখানে যোগ-বিয়োগের কোন সুযোগ নেই। কুরআন-হাদীছ বা সালাফে ছালেহীন থেকে জিহাদকে ৬ষ্ঠ রুকন হিসাবে আখ্যায়িত করার কোন দলীল পাওয়া যায় না। তবে হুযায়ফা (রাঃ)-এর একটি আছার পাওয়া যায়। যেখানে তিনি জিহাদকে ইসলামের আটটি অংশের একটি হিসাবে আখ্যায়িত করে বলেন, সে ব্যক্তি ধ্বংস হ’ল যার কোন একটি অংশ নেই’ (আবু ইয়া‘লা হা/৫২৩; ছহীহ আত-তারগীব হা/৭৪১, সনদ হাসান)

তবে জিহাদ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, ‘ফরয ইবাদতের পরে জিহাদ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আমল অন্য কিছু জানি না (মুগনী ৯/১৯৯)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘আমার জানা মতে আলেমদের ঐক্য রয়েছে যে, নফল ইবাদতসমূহের মধ্যে জিহাদ সর্বশ্রেষ্ঠ’ (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৮/৪১৮)। তবে তার জন্য নির্দিষ্ট স্থান, কাল ও পাত্র রয়েছে। যা বিবেচনায় না নেয়ায় অনেকেই বিভ্রান্তিতে পতিত হন। যেমন আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রাঃ)-এর যুগে উদ্ভূত ফিৎনার সময় এক ব্যক্তি ইবনু ওমর (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, হে আবূ আব্দুর রহমান! আপনি এক বছর হজ্জ করেন এবং এক বছর ওমরাহ করেন। অথচ আল্লাহর পথে জিহাদ ত্যাগ করেছেন? নিশ্চয়ই আপনি জ্ঞাত আছেন যে, আল্লাহ এই জিহাদ সম্পর্কে কিভাবে উদ্বুদ্ধ করেছেন! ইবনু ওমর (রাঃ) বললেন, হে ভাতিজা! ইসলামের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে পাঁচটি বস্ত্তর উপর। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ছাঃ)-এর প্রতি ঈমান, পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত প্রতিষ্ঠা, রামাযানের ছিয়াম পালন, যাকাত প্রদান ও হজ্জ পালন (অর্থাৎ তিনি যেন বুঝাতে চাইলেন যে, জিহাদ ইসলামের মৌলিক পাঁচ স্তম্ভের মধ্যে নয়)। তখন সে ব্যক্তি বলল, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় কিতাবে কী বলেছেন তা আপনি শুনেননি? ..অতঃপর সে সূরা হুজুরাতের ৯ এবং আনফালের ৩৯ আয়াত পাঠ করল। (আয়াতদ্বয় শ্রবণ করার পর) ইবনু ওমর (রাঃ) বললেন, আমরা এ কাজ রাসূল (ছাঃ)-এর যুগে করেছি এবং তখন ইসলামের অনুসারীগণ স্বল্প সংখ্যক ছিল। যদি কোন ব্যক্তি দ্বীন সম্পর্কে ফিতনায় পতিত হ’ত, তখন হয় তাকে হত্যা করা হ’ত অথবা শাস্তি প্রদান করা হ’ত। এভাবে ইসলামের অনুসারীর সংখ্যা বেড়ে গেল। তখন আর কোন ফিতনা রইল না (অর্থাৎ আর যুদ্ধের প্রয়োজন রইল না) (বুখারী হা/৪৫১৪)

ইবনু রজব (রহঃ) বলেন, জিহাদ অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হওয়া সত্ত্বেও ইবনু ওমরের হাদীছে জিহাদের কথা উল্লেখ নেই (জামেঊল ঊলূম ওয়াল হিকাম ১/১৫২)

Posted in জিহাদ কি ইসলামের ৬ষ্ঠ রুকন কি? | Tagged

এক্সিডেন্টে আহত মুমূর্ষু ছাগল, গরু, মুরগীর ক্ষেত্রে করণীয় কি?


যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ প্রাণীর প্রতি দয়া দেখানো কর্তব্য। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কেউ যদি চড়ুই পাখি যবহের ক্ষেত্রেও তার প্রতি অনুগ্রহ করে, ক্বিয়ামতের দিনে আল্লাহ তার প্রতি অনুগ্রহ করবেন (আল-আদাবুল মুফরাদ, ছহীহাহ হা/২৭)। কিন্তু প্রাণীটি বেঁচে থাকার সম্ভাবনা না থাকলে যবেহ করে খেয়ে নিতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ২৬/১৭৮)

Posted in এক্সিডেন্টে আহত মুমূর্ষু ছাগল গরু মুরগীর ক্ষেত্রে করণীয় কি? | Tagged ,

ছালাতরত অবস্থায় শরীরের কোন স্থান থেকে রক্ত বের হ’তে দেখলে ছালাত ছেড়ে দিতে হবে কি?


রক্ত বের হওয়ার কারণে ছালাত ছাড়বে না। কেননা রক্ত বের হওয়া ওযূ ভঙ্গের কারণ নয়। রক্ত বের হ’লে ওযূ করতে হবে মর্মে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে তা যঈফ (দারাকুৎনী; সিলসিলা যঈফাহ হা/৪৭০; মিশকাত হা/৩৩৩)। বরং বাকর (রহঃ) বলেন, আমি ইবনু ওমর (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি তার মুখমন্ডলে উঠা ফোড়ায় চাপ দিলেন ফলে কিছু রক্ত বের হ’ল। তখন তিনি আঙ্গুল দ্বারা ঘষে দিলেন। অতঃপর ছালাত আদায় করলেন। কিন্তু ওযূ করেননি (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ হা/১৪৬৯, সনদ ছহীহ; সিলসিলা যঈফাহ হা/৪৭০-এর আলোচনা দ্রঃ)। যাতুর রিক্বা যুদ্ধ থেকে ফেরার পথে মুসলিম বাহিনী পাহারারত ছাহাবী ‘আববাদ বিন বিশরের উপরে ছালাতরত অবস্থায় পরপর তিনটি তীর নিক্ষেপ করা হ’লে তিনি আহত হন এবং প্রচুর রক্তপাত হয়। কিন্তু তিনি ছালাত ছেড়ে দেননি (আবুদাঊদ হা/১৯৮; আহমাদ হা/১৪৭৪৫, সনদ হাসান)

আলবানী (রহঃ) বলেন, রক্ত বের হ’লে ওযূ করা ওয়াজিব হবে মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ নেই। রক্ত কম হোক বা বেশী হোক (আলবানী, মিশকাত হা/৩৩৩-এর টীকা দ্রঃ ১/১০৮ পৃঃ)

Posted in ছালাতরত অবস্থায় রক্ত বের হ’তে দেখলে ছালাত ছেড়ে দিতে হবে কি? | Tagged , ,

জুম‘আর দিন অনেকে তাদের মৃত পিতা-মাতার জন্য দো‘আ চাইলে ইমাম ছাহেব সূরা ফাতিহা সহ দো‘আ-দরূদ পাঠ করে সকলকে নিয়ে সম্মিলিত মুনাজাত করেন এবং সবাইকে সিন্নী খাওয়ানো হয়। এতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি?


এরূপ কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা যাবে না। কারণ এগুলো স্পষ্ট বিদ‘আত, যা অবশ্যই বর্জনীয় (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৪০)

Posted in জুম‘আর দিন মুনাজাত করে সিন্নী খাওয়া যাবে কি? | Tagged ,

নিজস্ব জমিতে মায়ের কবর রয়েছে। এখন সন্তানেরা উক্ত কবর সরিয়ে সরকারী কবরস্থানে দাফন করতে এবং উক্ত জমি বিক্রয় করতে চায়। এটা জায়েয হবে কি?


শারঈ প্রয়োজন ব্যতীত কবর স্থানান্তর করা জায়েয নয় (বুখারী হা/১৩৫১-৪২; ইবনু তায়মিয়া, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৪/৩০৩; নববী, আল-মাজমূ‘ ৫/২৭৩; উছায়মীন, শারহুল মুমতে‘ ৫/৩৬৯)। এক্ষণে কবর স্থানান্তরের উদ্দেশ্য যদি কেবল দুনিয়াবী স্বার্থ হাছিল করা হয়, তবে একাজ থেকে বিরত থাকা যরূরী।

Posted in প্রশ্নোত্তর | Tagged

আমাদের দেশে ঔষধের গায়ে লেখা থাকে যে, ‘শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার্য’। এক্ষণে দারিদ্রের কারণে যেসব গরীব রোগী ডাক্তার দেখাতে সক্ষম হয় না, তাদেরকে রোগের বিবরণ শুনে ঔষধ দেওয়া দোকানদারের জন্য জায়েয হবে কি?


কোন রোগের ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা দেওয়ার যোগ্যতা থাকলেই কেবল সেই রোগের চিকিৎসা দেওয়া যাবে। কারণ রাসূল (ছাঃ) সতর্ক করে বলেন, যে চিকিৎসক চিকিৎসা শাস্ত্র সম্পর্কে অভিজ্ঞতা ছাড়াই কারো চিকিৎসা করে এবং এর ফলে সে দুর্ভোগে পতিত হয়, তাহ’লে সে এজন্য দায়ী হবে’ (আবুদাঊদ হা/৪৫৮৭; ছহীহাহ হা/৬৩৫)

Posted in রোগের বিবরণ শুনে ঔষধ দেওয়া দোকানদারের জন্য জায়েয হবে কি? | Tagged

হজ্জব্রত পালনকালে মহিলারা অলংকার ব্যবহার করতে পারবে কি?


হজ্জ পালনকালে মহিলাদের অলংকার ব্যবহারে কোন বাধা নেই। তবে এ সময় যেন তা পরপুরুষেরা দেখতে না পায় সে দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। কারণ অলংকার নারী সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ১১/১৯২; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২২/২০১)

Posted in হজ্জব্রত পালনকালে মহিলারা অলংকার ব্যবহার করতে পারবে কি? | Tagged , ,

হজ্জব্রত পালনকালে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাংখীদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ রাখা যাবে কি?


তাদের সাথে যোগায়োগে কোন বাধা নেই। তবে ত্বাওয়াফ ও সাঈ চলাকালীন সময়ে বিরত থাকবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, বায়তুল্লাহর ত্বাওয়াফ ছালাতের মতই। অতএব তোমরা সেখানে অল্প কথা বল (নাসাঈ হা/২৯২২; ছহীহুল জামে‘ হা/৩৯৫৪)

Posted in হজ্জব্রত পালনকালে শুভাকাংখীদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ রাখা যাবে কি? | Tagged